ইনসাফ ফাউন্ডেশন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রুবেলকে চিকিৎসার জন্য ১ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা দিল

September 22, 2020, এই সংবাদটি ২৬২ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার॥ মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের সর্ববৃহৎ মানবতাবাদী সামাজিক সংগঠন ইনসাফ ফাউন্ডেশন সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত মাঃ রুবেল আহমদ আর্থিক সহায়তা হিসেবে ১,৩৪,৭০০/= টাকা প্রদান করে।

২১ সেপ্টেম্বর কামালপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের রাধানগর গ্রামের মোঃ ফুল মিয়ার ছেলে মোঃ রুবেল আহমদ এক সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়ে সিলেট এম জি উসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন ছিলেন। তাহাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার প্রয়োজন হয়। তাহার আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় ইনসাফ ফাউন্ডেশনে যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ আকাইদ আহমদ রাজন এর মাধ্যমে একটি সাহায্যের আবেদন আসে। উক্ত আবেদনে সারা দিয়ে ইনসাফ ফাউন্ডেশনের দেশ এবং প্রবাসের সকল সদস্য বৃন্দের সহযোগিতায় মোট ১,৩৪,৭০০/=টাকার একটি ফান্ড তৈরি করা হয়। উক্ত টাকা ইনসাফ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পরিষদের সকল সদস্য বৃন্দের অক্লান্ত পরিশ্রমের দ্বারা কালেকশন করে আহত মোঃ রুবেল আহমদের পিতা মোঃ ফুল মিয়ার হাতে তুলে দেওয়া হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইনসাফ ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব মোঃ মুহিবুর রহমান মুহিব, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও আবিদ প্র কম্পিউটারের স্বত্বাধিকারী জনাব মোঃ ফখরুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ সুমন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব বিশিষ্ট সমাজ সেবক  মোঃ মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম সদস্য সচিব বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ আকাঈদ আহমদ রাজন, কার্যকারি সদস্য মোঃ মহসিন আহমদ, মোঃ আবুল হোসেন তালুকদার,  মোঃ আব্দুল মুবিন, মোঃ মোনাইম আহমদ, মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ ইসমাঈল আহমদ, মোঃ মিলাদ হোসেন, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ আজাদুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মগনু মিয়া, তারেক আহমদ সুমন, সাদিকুর ররহমান, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ ফাহিম আহমদ নাহিদ, মোঃ সুলতান আহমদ, মোঃ জিয়াউর রহমান, মোঃ সাকির আহমদ, মোঃ শুভ আহমদ প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাধানগর গ্রামের সম্মানিত মুরব্ববি মোঃ শফিকুর রহমান, মোঃ হারুন মিয়া, মোঃ ফিরুজ মিয়া। উপস্থিত সকলেই ইনসাফ ফাউন্ডেশনের সকল সদস্য বৃন্দদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় অংকের একটি ফান্ড তৈরি করে রুবেলকে সহযোগিতা করার জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •