কমলগঞ্জে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন : সার সংকটের অভিযোগ জানাতে গিয়ে কৃষি অফিসে লাঞ্চনার অভিযোগ

September 29, 2021,

প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ॥ বাজারে সার না পাওয়ায় কৃষি অফিসে গিয়ে সার সংকটের কথা জানাতে গিয়ে লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন কৃষক।
২৯ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকালে বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিটের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন গোবিন্দপুর সি.আই.জি (ফসল) সমবায় সমিতি লি: এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইজ্জাদুর রহমান। তবে কৃষককে লাঞ্চিত করার বিষয়টি মোটেও ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন সিনিয়র কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা।
লিখিত বক্তব্যে ইজ্জাদুর রহমান বলেন, আমি একজন সাধারণ কৃষক এবং আমার কৃষি কার্ডও রয়েছে। তাছাড়া গোবিন্দপুর সি.আই.জি (ফসল) সমবায় সমিতি লি: এর সাধারণ সম্পাদক। আমরা বিএডিসি’র চুক্তিবদ্ধ বীজ উৎপাদনকারী কৃষক। এজন্য আমাদের বেশি সারের প্রয়োজন। আমাদের সমিতির কৃষকদের চাষাবাদের জন্য কয়েকদিন ধরে বাজারে গিয়ে কোথাও সার না পাওয়া যায়নি। বিষয়টি আজ কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসে গিয়ে সিনিয়র কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন সাহেবকে জানাই। তখন প্রথমে তিনি আমাকে নানাভাবে প্রশ্ন করেন। পরে ওই কর্মকর্তা শমশেরনগর সারের ডিলার জয়নাল আবেদীনের সাথে মোবাইলে কথা বলে আমাকে হুমকি প্রদান করে বলেন, আমি সার পাচারকারী। এরপর কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের মাধ্যমে আমাকে প্রায় ৩০ মিনিট আটকে রেখে পুলিশে তুলে দেয়ার হুমকি দেন ও নানাভাবে নাজেহাল করেন। একজন কৃষক হিসাবে সার প্রাপ্য আমার যৌক্তিক দাবি এবং কৃষি অফিসে এহেন ঘটনার বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল হাসান, মোঃ নজরুল ইসলাম, মোঃ শাহ আলম, আব্দুর রহমান, রনি মিয়া, দেলোয়ার হোসেন, মোশারফ হোসেন প্রমুখ।
তবে অভিযোগ বিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা সিনিয়র কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, বাজারে সারের কোন সংকট নেই। আজ ইজ্জাদুর রহমান এসে বাজারে সার পাচ্ছেন না এবং ৩০ বস্তা সার দাবি করলে কি প্রয়োজনে এতো সার দরকার সে বিষয়ে জানতে চাই। তখন তিনি আমার সাথে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। তারপরও আমি শমশেরনগরে সারের ডিলারের সাথে কথা তাকে সার দিতে বলেছি। তাকে লাঞ্চিত করা কিংবা পুলিশে দেয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •