কুলাউড়ায় বহিরাগত লোকজনের আনাগোনায় আতঙ্ক বাড়ছে

April 23, 2016, এই সংবাদটি ১২১ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি॥ কুলাউড়া উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের এখন বহিরাগত লোকজনের আনাগোনায় সাধারণ ভোটাররা আতঙ্কিত। উত্তপ্ত ছড়াচ্ছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। প্রতিপক্ষকে পথসভা এবং গণসংযোগে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
উপজেলার ভুকশিমইল ইউনিয়নের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুর রহমান অভিযোগ করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রেনু প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাছাড় ২১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ও বুধবার তার প্রার্থী সমর্থকদের বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে ভোট চাইতে ও গণসংযোগে বাঁধা দেন। ফলে ভোটার ও কর্মীদের নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। তাছাড়া ৯টি ভোট কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পরিমান নিরাপত্তা প্রদানের জন্য পৃথক দুটি লিখিত আবেদন করেছেন রিটার্নিং অফিসারের কাছে।
এদিকে জয়চন্ডী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী কমর উদ্দিন আহমদ কমরু অভিযোগ করেন, ২১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকালে পুষাইনগর বাজারে তার নির্বাচনী পথসভা ছিলো। আওয়ামী লীগ প্রার্থীর ভাই’র নেতৃত্বে ঢাকা থেকে আগত ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা তাঁর পথসভার স্থানে জবর দখল করে সভা করতে দেয়নি। তাছাড়া ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের কারণে তিনি নির্বিঘেœ প্রচারণা চালাতে পারছেন না। যেখানেই পথসভা করতে যান সেখানে তারা বিঘœ সৃষ্টি করেন। ফলে তিনি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এদিকে পুষাইনগর বাজারে দু’গ্রুপের উত্তেজনা চলাকালে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, আমি সাদাকালো কিছু বুঝি না। যদি দু’গ্রুপ স্থান ত্যাগ না করেন তাহলে বাধ্য হবো ব্যবস্থা নিতে। কিছুক্ষণ পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় পুলিশের ড্রেসপরা ১৫-২০ জনের একদল সন্ত্রাসী তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। এসময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। তবে পুলিশের ড্রেস পরা সন্ত্রাসীরা তাঁর বাড়ীতে হামলা চালায়। বাড়ির লোকজনের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। চেয়ারম্যানের স্পেন প্রবাসী ভাই কাজল বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। কুলাউড়া থানার কর্তব্যরত অফিসার মাসুদ জানান, রাতেই আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রব মাহবুবের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮জনকে আটক করেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •