গায়েবি ভোট যুক্ত করার অভিযোগ বড়লেখায় ভোট পূণঃগণনার দাবি এক সদস্যপ্রার্থীর

December 4, 2021, এই সংবাদটি ৭৫ বার পঠিত

আব্দুর রব॥ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের তেরাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন পরাজিত সদস্যপ্রার্থী দেলওয়ার হোসেন। পূণরায় ওই কেন্দ্রের ভোট গণনার দাবিতে তিনি নির্বাচনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
জানা গেছে, তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে উপজেলার সুজানগর ইউপিতে ২ নম্বর ওয়ার্ডে চারজন সদস্যপ্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে দেলওয়ার হোসেন, টিউবওয়েল প্রতীকে কাওছার হামিদ, ফুটবল প্রতীকে আফসার উদ্দিন ফয়ছল ও মোরগ প্রতীক নিয়ে নাজিম উদ্দিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সুজানগর ইউনিয়নের তেরাকুড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ওই ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১ হাজার ৫৬৪ জন। নির্বাচনে ওই কেন্দ্রের প্রার্থীদের এজেন্টদের হিসেবমতে, এ কেন্দ্রের সংগৃহীত বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ হাজার ৭৯। বাতিল হয় ৪১ ভোট। এরমধ্যে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে দেলওয়ার হোসেন পেয়েছেন ৩৯৭ ভোট। ফুটবল প্রতীকে আফসার উদ্দিন ফয়ছল পেয়েছেন ২৬২। টিউবওয়েল প্রতীকে কাওছার হামিদ পেয়েছেন ২২৪ ভোট। মোরগ প্রতীকে নাজিম উদ্দিন পেয়েছেন ১৫৫ ভোট। কিন্তু ওই কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তারা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে টিউবওয়েল প্রতীকে কাওছার হামিদের প্রাপ্ত ২২৪ ভোটের সাথে গায়েবি ২০০ ভোট যুক্ত করে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। এসময় দেলওয়ার হোসেনসহ অন্যান্য প্রার্থীর এজেন্টরা পূণরায় ভোট গণনার অনুরোধ করলেও প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তারা তা এড়িয়ে যান।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, গণনায় অনিয়মের অভিযোগ থাকলে পরাজিত সদস্য প্রার্থী ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারেন। আদালতের অনুমতি পেলে পূণরায় ভোট গণনার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •