জুড়ীতে খেলার মাঠ নিয়ে বিরোধ মিমাংসা করলেন ইউএনও

January 9, 2021, এই সংবাদটি ৮৫ বার পঠিত

জুড়ী প্রতিনিধি॥ জুড়ী উপজেলায় একটি খেলার মাঠের মাটি কাটা নিয়ে দুটিপক্ষ বিরোধে জড়িয়ে পড়লে অবশেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলামের হস্তক্ষেপে সেই বিরোধের অবসান এবং খেলার মাঠ থেকে গর্ত করে মাটি কেটে নেওয়া স্থানটি পুনরায় ভরাট করে দেওয়া হয়েছে।
৮ জানুয়ারি শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম। জানা যায়, উপজেলার পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থিত হরিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খেলার মাঠ থেকে গর্ত করে মাটি কাটা নিয়ে স্থানীয় দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন জায়গার মালিকানা দাবি করে তিনি স্বেচ্ছায় বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য সেখান থেকে মাটি দেন। এতে অপর একটি পক্ষ জায়গাটি বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দাবি করে ঐ স্থান থেকে গর্ত করে মাটি কাটতে বাধা দেন। তাদের বাধার প্রেক্ষিতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সেখান থেকে মাটি কাটা বন্ধ করা হয়। এ নিয়ে সোমবার উপজেলা চত্তর এলাকায় খেলার মাঠ রক্ষার দাবিতে এক পক্ষ মানববন্ধন করেন। পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলামের নির্দেশে সেই স্থানে মাটি ফেলে পুনরায় ভরাট করে দেওয়া হয়েছে। এতে দুটি পক্ষের মধ্যে চলমান বিরোধের অবসান হয়।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জুবের হাসান জেবলু বলেন, খেলার মাঠের ব্যাপারে আমার কোন দ্বিমত নেই। বিদ্যালয়ের ৩৫ শতক ভূমির মধ্যে উন্নয়ন কাজ চলমান আছে। বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন বিদ্যালয় সংলগ্ন ভূমি থেকে স্বেচ্ছায় বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য কিছু মাটি দেন। এ নিয়ে একটি পক্ষ আপত্তি জানান। পরবর্তীতে প্রশাসনের নির্দেশে নাজিম সেই স্থানে পুনরায় মাটি ফেলে ভরাট করে দিয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান রুহুল ইসলাম বলেন, যারা মাঠের মধ্যে মাটি কেটে গর্ত করেছিলেন তারা তাদের ভুল বুঝতে পারেন। পরে তাদেরকে পুনরায় সেখানে মাটি ফেলে ভরাট করে দেওয়ার জন্য বলা হলে তারা ঐ স্থানে মাটি ফেলে ভরাট করে দিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে সেখান থেকে মাটি কাটতে ও জমির শ্রেণী পরিবর্তনে নিষেধ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •