জুড়ীতে ভ্যাকসিন বরাদ্দ শেষ, ভ্যাকসিন না নিয়ে বাড়ি ফিরছে মানুষ

August 7, 2021, এই সংবাদটি ১৯৮ বার পঠিত

আল আমিন আহমদ॥ মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ভ্যাকসিন দিতে এসে না পেয়ে ফিরছে মানুষ। দীর্ঘ ক্ষণ লাইন ধরে থেকেও ভ্যাকসিন দিতে পারছে না তারা।
৭ আগষ্ট শনিবার জুড়ী উপজেলার ৬ টি কেন্দ্রে প্রথম দিন ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়। জায়ফর নগর ইউনিয়নের জায়ফর নগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাবেক ১ নং ওয়ার্ড বর্তমান ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের জন্য ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়।
সকাল ৯ টা থেকে বিভিন্ন গ্রামের মানুষ আসেন ভ্যাকসিন দিতে। সকাল সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত লাইনে অপেক্ষা করেও ভ্যাকসিন পান নি ১ ও ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা।
সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, এই কেন্দ্রে মানুষের দীর্ঘ লাইন। ১ টি ওয়ার্ডে ২০০ জন মানুষের জন্য ভ্যাকসিন বরাদ্দ রাখা হলেও শুরু হওয়ার এক থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যে তা শেষ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন দূর থেকে আসা মানুষেরা। কেন্দ্রে থাকা জায়ফর নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা ও ইউনিয়ন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক রতীশ চক্রবর্তী জানান, এই ইউনিয়নের ৩ টি ওয়ার্ডের মানুষের জন্য ৬০০ ডোজ ভ্যাকসিন বরাদ্দ ছিল। বরাদ্দ শেষ হয়ে যাওয়ার কারনে মানুষ দিতে পারছে না। তারা পরবর্তীতে দিতে পারবে।
যারা অনলাইনে আবেদন করে মোবাইলে ম্যাসেজ এসেছে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দিতে পারবে। ভ্যাকসিন কার্যক্রমের জন্য পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশ থাকলে ও রাখা হয়নি কোন সেচ্ছাসেবক। সাধারন মানুষদের ভোটার কার্ড কিংবা অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন কার্ড নিয়ে এসে ও পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। রেজিষ্ট্রেশন করে কাগজ নিয়ে এসে উপস্থিত রেজিষ্ট্রেশন করার কোন মানুষ রাখা হয়নি। এলাকার কয়েকজনকে সেচ্ছায় সেচ্ছাসেবকের কাজ করতে দেখা যায়।
নেহারা বেগম নামের এক বৃদ্ধা জানান, আমি লেখাপড়া জানি না, কার্ড নিয়া আইছি ভ্যাকসিন দিতাম। ইনো আইয়া নাম লেখাইছি কিন্তু ভ্যাকসিন না থাকায় বাড়িত যাইয়ার গি। এদিকে উপজেলার সবকটি কেন্দ্রে একি অবস্থা দু’একটি কেন্দ্রে বৃষ্টির কারণে লোক আসতে পারছেনা।
উপজেলা অন্যান্য ৫ টি ইউনিয়নের কেন্দ্র গুলোতে ও সংকট রয়েছে ভ্যাকসিনের। ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিদর্শন করতে আসা সিভিল সার্জন মৌলভীবাজারের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, যাতে ভিড় না হয় সেজন্য সরকার নির্ধারিত একটা ওয়ার্ডের জন্য ২০০ ডোজ ভ্যাকসিন নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছে।অনেক দূর থেকে মানুষ এসে ফিরে যাচ্ছে এ রকম প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,আমরা প্রচার করেছি ৬০০ জনকে দেবো কিন্তু অনেক লোক এসেছে, তারা পরবর্তীতে পাবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •