দৌড়ে এগিয়ে বাপ্পি, পেছনে শাকিব

April 7, 2016, এই সংবাদটি ১,০৪৪ বার পঠিত

অভিনয়জীবন, বয়স, অভিজ্ঞতা, জনপ্রিয়তা—সবদিক থেকে বাপ্পির চেয়ে এগিয়ে আছেন শাকিব খান। চলচ্চিত্র–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিশ্বাস করেন, দেড় যুগ ধরে এই শাকিব খানের কাঁধে ভর করেই টিকে আছে বাংলাদেশি চলচ্চিত্র। শাকিবের ছবি মুক্তি পেলে নির্ভার থাকেন প্রযোজকেরা। তাঁদের ধারণা, শাকিব ছবিতে থাকা মানেই তাঁদের লগ্নি করা টাকা উঠে আসবেই। তা ছাড়া ছবি মুক্তির সময় অন্য অনেকের চেয়ে বেশি প্রেক্ষাগৃহ বরাদ্দ থাকে শাকিবের ছবির জন্য। এটা রীতিমতো নিয়মে পরিণত হয়েছে। এবারই প্রথম ঘটল এক ব্যতিক্রমী ঘটনা। চলতি সপ্তাহে মুক্তি পাওয়া ছবির প্রেক্ষাগৃহ প্রাপ্তির দৌড়ে অনেক বেশি এগিয়ে আছেন বাপ্পি।
শুক্রবার ঢাকাসহ সারা দেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে শাকিব খান অভিনীত ছবি ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২’ ও বাপ্পি অভিনীত ছবি ‘অনেক দামে কেনা’। প্রথম ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডস মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল ও বাপ্পির ছবিটি প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্ট সমিতি সূত্রে জানা গেছে, শাকিব খান অভিনীত ছবিটি এরই মধ্যে হল পেয়েছে ৪০টি আর বাপ্পির ছবিটি ১০০–এর কাছাকাছি।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে এ নিয়ে কথা হয় বাপ্পির সঙ্গে। উত্তরায় শাহনেওয়াজ শানুর ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ ছবির শুটিংয়ের ফাঁকে তিনি বলেন, ‘আমি অনেক খুশি। তবে আমি চাই প্রেক্ষাগৃহ পাওয়া শুধু নয়, ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে যেন সাফল্য পায়। শেষ যখন আমার “সুইটহার্ট” ছবিটি মুক্তি পায়, তখনো এমনটা হয়েছিল। কিন্তু ব্যবধানটা এত বেশি ছিল না। অল্প দিনের অভিনয়জীবনে এটি আমার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ সবই দর্শকের ভালোবাসার কারণেই হয়েছে।’

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র বুকিং এজেন্ট সমিতির সভাপতি সারোয়ার আলী ভূঁইয়া প্রথম আলোকে জানান, সাধারণত অন্য কোনো নায়কের সঙ্গে একই দিনে শাকিব খানের ছবি মুক্তি পেলে হল পাওয়ার ক্ষেত্রে শাকিবই এগিয়ে থাকেন। এর আগে দু–একবার ব্যতিক্রম ঘটেছে। কিন্তু বাপ্পির সঙ্গে এবারের মতো ব্যবধান আগে হয়নি। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, বাপ্পির ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে অনেকগুলো হল। তারা চাইলেই একটি ছবি ১০০টি হলে মুক্তি দিতে পারে। অন্যদিকে ‘পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি ২’ ছবিটি হল বরাদ্দ পেয়েছে এর শিল্পীদের কারণেই।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •