নার্সারীতে ব্যবসায় অনেকেই স্বাবলম্বী

November 21, 2020, এই সংবাদটি ৭৬ বার পঠিত

তোফায়েল পাপ্পু॥ নার্সারী করে অনেকেরই ভাগ্যে পরিবর্তন এনেছে। বিভিন্ন ফলদ, বনজ, ফুল ও কাঠ গাছের চারার নার্সারি করে শ্রীমঙ্গলের অনেকেই এখন স্বাবলম্বী। ওইসব নার্সারির মালিকরা নিজে আর্থিকভাবে লাভের পাশাপাশি তৈরি করছেন অনেকের কর্মসংস্থান। অন্যদিকে এলাকায় বনায়নসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কুপ্রভাব থেকে মুক্ত করায় রাখছে অবদান। তাদের সেই কাজকে এবং নতুন উদ্যোক্তাদের এ পেশায় আসায় উৎসাহিত করতে এখানে সরকারিভাবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর ও কৃষি বিভাগ গ্রহণ করছে নানা উদ্যোগ। ফলে দিন দিন এখানে নার্সারির সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
শ্রীমঙ্গল পৌর শহরসহ গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এসব বিভিন্ন ফলদ, বনজ, ফুল ও কাঠ গাছের নার্সারি। অল্প পুঁজিতে নিজস্ব এবং ভাড়া নেওয়া ভূমিতে ওই সব নার্সারি করে সফল হয়েছেন উদ্যোক্তারা। ওই সব নার্সারিতে উৎপাদিত হচ্ছে লাখ লাখ গাছের চারা। প্রকারভেদে ওই নার্সারিগুলোতে মাসে লক্ষাধিক টাকার চারা বিক্রি হচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। হাতের কাছে চারা উৎপাদিত হওয়ায় এলাকার লোকজন চারা রোপণে উৎসাহিত হচ্ছেন। পৌর শহরের জননী নার্সারীর মালিক মো: বিল্লাল শিকদার দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নার্সারীর পেশার সাথে আছেন। ছোট একটি নার্সারী থেকে আজ তিনি ৫টি নার্সারি গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে তার ছেলে মো. আল আমিন আনসার ও ভিডিপির ওয়ার্ড দলনেতা হিসেবে আছেন। সে তার কাজের পাশাপাশি নার্সারী পেশায় জড়িত হয়ে বাবাকে সহযোগীতা করছেন। বৃক্ষ রোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার ২০১৮ সিলেট বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পুরস্কার অর্জন করেছেন জননী নাসারি।
জননী নার্সারীর মালিক মো. বিল্লাল শিকদার জানান আমার নার্সারিতে নিয়মিত ১৬ জন কর্মী কাজ করছেন। নার্সারী থেকে ঢাকা-চট্ট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সব ধরনের গাছের চারা বিক্রয় করা হয়। গাছের বীজ সংগ্রহ করে জননী নার্সারি সংগ্রহ করা বীজ ও গাছের চারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ক্রয় করে নিয়ে যায়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মুনালিসা সুইটি জানান, শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ছোট বড় মিলে প্রায় ১২টি নার্সারী রয়েছে। কৃষি অফিস থেকে সকল নার্সারী মালিককে বিভিন্ন মৌসুমে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। কৃষি অধিদপ্তর থেকে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করা হচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •