বড়লেখায় একদিকে উচ্ছেদ অভিযান অন্যদিকে পুনঃস্থাপন

September 3, 2016,

বড়লেখা প্রতিনিধি॥ বড়লেখায় সড়ক ও জনপথের সরকারী ভুমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শেষ হতে না হতেই উচ্ছেদকৃত ভুমিতে অবৈধ স্থাপনা পুনঃস্থাপনের হিড়িক পড়েছে।
১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পৌরশহরের উত্তর চৌমোহনায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাতের নেতৃত্বে গঠিত টাস্কফোর্স সওজ’র ভুমিতে নির্মিত অবৈধ ২১ দোকান ঘর ভেঙ্গে ফেলে। কিন্তু অভিযানকারীরা চলে যাওয়ার পরই দখলদাররা পুনরায় স্থাপনা বসানো শুরু করেছে। ১৫ জুন দক্ষিণভাগ বাজারের উচ্ছেদ করা স্থানে অবৈধ দখলদাররা পুনরায় অবৈধ ঘর নির্মাণ করেছে।
জানা গেছে, বড়লেখা-কুলাউড়া সিএন্ডবি সড়কের উভয় পাশের ভুমিতে অসাধু ব্যক্তিরা অবৈধভাবে কাচা-পাকা স্থাপনা তৈরী করে ব্যবসা বাণিজ্য চালাতে থাকে।

Barlekha-Roadএতে যানবাহন ও পথচারী চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত এবং প্রায়ই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে বড়লেখা পৌরশহরের উত্তর চৌমোহনায় অবৈধভাবে নির্মিত ২১ দোকানঘর উচ্ছেদ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত একটি টাস্কফোর্স। টাস্কফোর্সের অভিযান শেষে সরেজমিনে দেখা গেছে, উচ্ছেদকৃত স্থানে অসাধু ব্যক্তিরা পুনরায় স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেছে। এদিকে উপজেলার দক্ষিণভাগ বাজারের সওজ’র ভুমিতে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা ১৫ জুন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খান মোহাম্মদ হাসানুজ্জামানের নেতৃত্বে উচ্ছেদ হয়। কিন্তু অভিযানকারীরা চলে যাওয়ার পরই দখলদাররা সড়কের আরো ব্যাপক স্থান দখল করে ঘর তৈরী করেছে। দক্ষিণ বাজারে এসব অবৈধ স্থাপনায় ঢাকা পড়েছে সরকারী সড়ক, টি বোর্ডের মালিকানাধীন নিউ সমনবাগ, পাথারিয়া ও রশিদাবাদ চা বাগানের রোড ইন্ডিকেটরসহ ব্যক্তিমালিকাধীন মার্কেটের সম্মুখ ও গাড়ি পার্কিংস্থল। এতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারী ও মার্কেট মালিকদের মধ্যে বাকবিতন্ডায় প্রায়ই আইনশৃংখলার অবনতি ঘটে।
পৌরশহরের উত্তর চৌমোহনায় বুধবারের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত জানান, অবৈধ দখলদারদের বারবার নোটিশ দেয়া সত্ত্বেও স্থাপনা না সরানোর কারনে ১৯৭০ সালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অধ্যাদেশ অনুযায়ী বড়লেখা পৌরশহরের ২১ দোকানঘর গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •