বড়লেখায় এক স্কুলশিক্ষকের কর্মকান্ডে বিব্রত এলাকাবাসী

July 19, 2016,

বড়লেখা প্রতিনিধি ॥ বড়লেখায় প্রাইমারী স্কুলের সহকারি শিক্ষক জুবের আহমদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। ওই শিক্ষকের বিতর্কিত কর্মকান্ডে এলাকাবাসী পড়েছেন বিব্রতকর অবস্থায়। তবে শিক্ষক জুবের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন সরকারী চাকরি করেন বিধায় গ্রামের প্রতিপক্ষ তার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রচারনা চালাচ্ছে মিথ্যা মামলায় তাকে আসামী করেছে।
জানা গেছে, উপজেলার অজমীর গ্রামের মশাহিদ আলীর ছেলে জুবের আহমদ ৭ জুলাই ঈদের দিন সকালে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে দেশীয় অস্ত্র হাতে এলাকায় সন্ত্রাসীর ভূমিকায় নামেন। তিনি মুছেগুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। ঈদের দিন সকালে অজমীর ঈদগাহ এলাকায় আব্দুন নূরের লাইটেসে অহেতুক মিছবাহ উদ্দিন সজোরে আঘাত করে। এর জের ধরে প্রতিপক্ষ রুমেল আহমদকে প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে দা হাতে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন শিক্ষক জুবের। এসময় দু’পক্ষের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ২০ ব্যক্তি আহত হন। এদের ৫ জনের অবস্থা এখনও আশংকাজনক। এ ঘটনায় আহত রুমেলের চাচা আব্দুর রহমান থানায় জুবের আহমদ গংদের বিরুদ্ধে মামলা (নং-১০/১০.০৭) করেন। এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, অজমীর গ্রামের যে কোন তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষক জুবের আহমদ সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের নেতৃত্বে থাকেন। সম্প্রতি মসজিদের ইমাম রাখা নিয়েও তিনি সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালান। একজন শিক্ষক হয়ে তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ড লজ্জার বিষয়। বিষয়টি সম্পর্কে তারা সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে শিক্ষক জুবের আহমদ জানান, দু’পক্ষের মারামারির সময় তিনি ভাঙ্গানোর চেষ্টা করেন। একপক্ষ মিথ্যা অভিযোগে তাকে মামলার আসামী করেছে। তিনি সরকারি চাকরি করেন বিধায় চাকরির ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষ তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচারনা চালাচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার অরবিন্দ কর্মকার জানান, জুবের আহমদের বিরুদ্ধে এলাকা থেকে মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন। সরকারি আচরণবিধি লঙ্ঘন সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, একজন শিক্ষকের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়ানো লজ্জার বিষয়। স্কুল শিক্ষক জুবেরসহ অন্যান্য পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •