বড়লেখায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান

May 30, 2016, এই সংবাদটি ১৫২ বার পঠিত

কুলাউড়া অফিস॥ সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান একেএম গোলাম কিবরিয়া তাপাদার বলেছেন, বর্তমানে শতকরা ৯০ ভাগ শিক্ষক কারিকুলাম বোঝেন না এবং ফলো করেন না। যার কারণে শিক্ষার্থীরা সঠিক পাঠ গ্রহণ ও কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভালো ফলাফল হচ্ছে তা শিক্ষকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই অর্জিত হচ্ছে।
তিনি ২৮ মে শনিবার বড়লেখার রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুলের এবারের পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ বিভিন্ন গ্রেডে উত্তীর্ণ ১৩১ জন কৃতী শিক্ষর্থীকে দেয়া সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতি গড়ার কারিগর। তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে। আগামী ১-২ বছরের মধ্যে সিলেট শিক্ষাবোর্ড শতভাগ ফলাফল অর্জন করে দেশ সেরা শিক্ষা বোর্ড হবে।
শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান রোকেয়া খাতুন লাইসিয়াম স্কুলকে বাতিঘর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, লাইসিয়াম স্কুল একদিন শুধু বড়লেখার নয় মানসম্মত পাঠদান ও শতভাগ ফলাফলের মধ্য দিয়ে সিলেট বিভাগ তথা দেশের একটি সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুনাম অর্জন করবে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইকবাল আহমদ। স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি নগেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে এবং অভিভাবক ও বর্ণি ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন ও শিক্ষক বিজয় ভুষন দাসের যৌথ সঞ্চালনায় স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রবীণ শিক্ষানুরাগী আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, নায়েমের উপ-পরিচালক স্বপন চন্দ্র দেবনাথ, ডিএইচএল এক্সপ্রেসের পরিচালক (ফাইনেন্স) আবু নইম কাশেম চৌধুরী, বড়লেখা পৌরসভার মেয়র আবুল ইমাম কামরান চৌধুরী, শিক্ষার্থী অভিভাবক সাংবাদিক লিটন শরীফ, প্রভাষক মোশারফ হোসেন সবুজ, পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম নীল মাধব বণিক, স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক প্রানকৃষ্ণ আচার্য্য, কৃপেশ চন্দ্র দেবনাথ, বদরুল ইসলাম, বাবুল চন্দ্র দাস, শিক্ষার্থী সারিয়া আবেদীন ইতু, আফরোজা জাহান সোনালী, নিশাত তাসনীম সোবহা, তাহমীম আহমদ তামীম প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •