বড়লেখায় দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ৫০

July 3, 2016, এই সংবাদটি ১৩২ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার॥ বড়লেখায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও পথচারীর মধ্যে ঝগড়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে থানার ওসিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।

moulvibazar--(2)
৩ জুলাই রবিবার বিকেলে উপজেলা সদরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন তিনটি ট্রাক্টরে অগ্নি সংযোগ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ ২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে। সংঘর্ষের পর বাজারের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা সদরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাথে ধাক্কা লাগাকে কেন্দ্র করে জনৈক অটোরিকশাচালক সেবুল মিয়া ও দুই পথচারি আব্দুল মুকিত ও জাবের আহমদের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে অটোরিকশাচালক পথচারীদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

moulvibazar--(1)
এই ঘটনার জের ধরে পথচারীদের গ্রাম উপজেলার সদর ইউনিয়নের গঙ্গারজল এবং অটোরিকশাচালকের গ্রাম পৌরসভার মহবন্দবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এবং ইট ছোঁড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে। বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৫টা পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষে বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান সহ উভয়পক্ষের ৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রায় ২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। সংঘর্ষের সময় বিক্ষুব্ধ লোকজন তিনটি ট্রাক্টর পুড়িয়ে দিয়েছেন। পরে বড়লেখা ফায়ার স্টেশনের লোকজন গিয়ে গাড়ির আগুন নিভিয়েছে। সংঘর্ষের পর বাজারের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। ঈদের মৌসুম সত্ত্বেও সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

1-1
বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে রবিবার রাত ৮ টায় বলেন, সিএনজি ড্রাইভারদের ঝগড়ার একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মধ্যস্থতা করছিলেন। এ নিয়ে সদর ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। পরে এ নিয়ে দুই গ্রামের মানুষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে প্রায় ২৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়া হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে। মামলা হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •