বড়লেখায় ভোটে অনিয়মের অভিযোগ দুই সদস্যপ্রার্থীর

December 5, 2021, এই সংবাদটি ৫৪ বার পঠিত

আব্দুর রব বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বড়থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করেছেন দুইজন পরাজিত ইউপি সদস্য প্রার্থী। এদের একজন পুনঃরায় নির্বাচনের ও অপরজন পুনঃরায় ভোট গণনার দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।

জানা গেছে, তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে উপজেলার সুজানগর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডে টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ইউপি সদস্যপদে নির্বাচন করেন মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, বড়থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. শহিদ আহমদ কর্তৃক প্ররোচিত হয়ে মো. সিরাজুল ইসলামের এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বারবার বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এজেন্টরা যোহরের নামাজের জন্য বাহিরে গেলে আপেল মার্কার সমর্থকরা ইচ্ছাকৃত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আপেল মার্কায় ব্যাপক জাল ভোট প্রদান করে। আপত্তি স্বত্তেও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রহস্যজনক নিরবতা পালন করে মো. শহিদ আহমদকে বিজয়ী করেন। জনমত যাচাইয়ের জন্য তিনি ওই কেন্দ্রে পুনরায় নির্বাচনের দাবী জানান।

অপরদিকে একই ওয়ার্ডের বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকের ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী মো. আলাল উদ্দিন তার অভিযোগে উল্লেখ করেন, শুরু থেকে তার কর্মী-সমর্থকরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীকে ভোট প্রদান করেন। আপেল প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তার (মো. শহিদ আহমদ) সাথে ভোটগ্রহণের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গোপন আঁতাত করেন। যা আমার এজেন্টরা আঁচ করেছেন। এজন্য ভোট গণনায় প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসাররা নগ্ন কারচুপি করতে থাকেন। এজেন্টরা তাদের অনিয়ম ধরে ফেলেন। পুনঃরায় ভোট গণনার দাবী জানালেও তারা তা অগ্রাহ্য করেন। গণনার কারসাজিতে পরিকল্পিতভাবে তাকে পরাজিত করা হয়েছে। তিনি ওই কেন্দ্রের সদস্য পদের ব্যালট পেপার পুনঃরায় গণনার দাবী জানান।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এসএম সাদিকুর রহমান জানান, গণনায় অনিয়ম হয়ে থাকলে তাৎক্ষণিক কেন্দ্রে অভিযোগ করতে পারতেন। এখন পুনরায় নির্বাচন কিংবা ভোট পুনঃগণনার ক্ষমতা তার হাতে নেই। আগ্রহী হলে পরাজিত সদস্যপ্রার্থীরা ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে পারেন। আদালত আদেশ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •