রাজনগরে ভোট গ্রহণের দায়িত্ব বন্টন নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ

May 7, 2016, এই সংবাদটি ৩৩৭ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ রাজনগরে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব বণ্টনে বৈষম্যের কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দুই শতাধিক শিক্ষককে বাদ দিয়ে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেয়ায় এ ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা।
শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, ৭ মে শনিবার উপজেলার ৮ ইউনিয়নের ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহণ করা হবে ৭৬টি কেন্দ্রে। ওই নির্বাচনে নিয়োগকৃত প্রিজাইডিং, সহকারী প্রিজাইডিং ও পুলিং কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে মঙ্গলবার ও বুধবার। ভোটগ্রহণের দায়ীত্ব বণ্টনে বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন দায়িত্ব না পাওয়া উপজেলার দুই শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক। তাদের বক্তব্য, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের তথ্য সংগ্রহ, আদম শুমারি, শিশু জরিপ, স্বাস্থ্য বিভাগের কৃমি, ভিটামির ক্যাপসুল খাওয়ানোসহ সহকারী বিভিন্ন জরিপে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষদের দায়িত্ব দেয়া হয়। বিগত নির্বাচনগুলোতের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন করেছিলেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাড়াও অন্যদের প্রয়োজন হলে তখনই কেবল এনজিও সংস্থার লোকদের ভোটগ্রহণের দায়িত্বে নেয়া হয়। কিন্তু এবারের ইউপি নির্বাচনে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষককে ভোটগ্রহণের দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এনিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এছাড়াও বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছেন চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীদের কেউ কেউ। এদিকে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আইনুর আক্তার পান্নার কাছে মৌখিক ভাবে জানিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা।
উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী বলেন, আমাদের অনেক শিক্ষক দায়িত্ব পাননি।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বাবলু সুত্রধর বলেন, আমাদের প্রথম চয়েজ থাকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। প্রাথমিক বিদ্যালয় অফিস দেরিতে শিক্ষকদের তালিকা দিয়েছে। তিন দিনে ১২শ লোককে দায়িত্ব দিতে গিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে। তবে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যারা যেতে চাননি তারা বাদ পড়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •