শ্রীমঙ্গলে ৩‘শ গৃহহীনের নতুন ঠিকানা সবুজের ছায়াতলে

January 23, 2021, এই সংবাদটি ২১৯ বার পঠিত

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥ কষ্টের দিন শেষ, শেষ প্রতিক্ষার প্রহর। আর অন্যর ঘরে আশ্রয় নয়, নয় রেল স্ট্রেশন বা ফুটপাতে রাত্রিযাপন। সারা দেশের মতো আগামীকাল শনিবার থেকে নিজের ঘরে উঠবেন মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৩০০ গৃহহীর পরিবার।
উপজেলা প্রশাসন থেকে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে এ উপজেলায় ভূমি ও গৃহহীন ৩শ’ পরিবারের জন্য ঘর তৈরির কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে ১০০টি ঘরের নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এরমধ্য ৭১টি ঘর ও জমির দলিল উপকারভোগীদের হাতে হস্তান্তর করা হবে। এরমধ্য বেগুন বাড়িতে ১৫টি, মহাজীরাবাদে ১৪টি, রাধানগরে ২৭টি ও মির্জাপুরে ১৫টি ঘর।
অশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার আশিদ্রোন, শ্রীমঙ্গল সদর, ভূনবীর, ও মির্জাপুর ইউনিয়নে সরকারি খাস জমিতে এই ঘরগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। টিনসেডের প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যায় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। ৪৩৫ বর্গফুটের ঘরে রয়েছে দুটি বেড রুম, একটি টয়লেট, একটি রান্নাঘর, নামাজের জায়গা ও একটি বারান্দা। ঘর ও আশপাশের জমিসহ প্রতিটি পরিবারকে দেয়া হচ্ছে দুই শতক করে জমি। এই প্রকল্প কাজ বাস্তাবায়ন করছেন উপজেলা প্রশাসন।
সরজমিনে রাধানগর গিয়ে দেখা যায়, সবুজে ঘেড়া প্রকৃতি। পাহাড়ের ভাজে ভাজে চায়ের বাগান। সমতলে লেবু, আনারস আর কলা গাছের সাড়ি। রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে বেরে ওঠা নানান জাতের গাছ-গাছালি। আর এমনই সবুজে ঘেড়া পরিবেশে গড়ে তোলা হচ্ছে ভূমিহীন গৃহহীনদের সুখের ঠিকানা।
প্রকল্প বাস্তাবয়ন কমিটির সদস্য ও সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ভানু লাল রায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্দ্যোগটি অবশ্যই প্রশংসীন। তবে এক শতক জমি বাড়িয়ে ঘরের আয়তন একটু বেশী করা হলে পরিবারগুলো সাচ্ছন্দে জীবন যাপন করতে পারতো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, এ উপজেলায় আমরা ৩০০টি ঘর নির্মাণ করবো। এরই মধ্যে ১০০টি ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট ঘরগুলো খুব অল্প সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, কাজের মান যেন ঠিক থাকে সেজন্য সার্বক্ষণিক তাদের তদারকি রয়েছে। তাছাড়া যারা প্রকৃত ভূমিহীন তারাই যেন এই ঘর গুলো পায় তার জন্য উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রেও আমরা সঠিকভাবে যাচাইবাছাই করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •