হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার

April 18, 2016, এই সংবাদটি ৩৭২ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি॥ হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে বিবদমান দুটি শ্রমিক গ্রুপ। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় আজ (রোববার) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ লাইনে আবারো বাস চলাচল শুরু হয়েছে।

মিতালী পরিবহন, সুরমা ট্রান্সপোর্ট, কুশিয়ারা পরিবহন বনাম হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এর মধ্যে যাত্রী উঠা নামা নিয়ে বেশ ক’দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এর জের ধরে ১৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ ও সিলেট প্রান্তে দু’পক্ষের শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ফলে হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।

এ অবস্থায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েতুল্লাহ, বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বিষয়টি সুরাহা করতে উদ্যোগ নেন। তাদের মধ্যস্থায় আজ বিকেলে মৌলভীবাজার পৌরসভায় মেয়র ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতা বৈঠক হয়। বৈঠকে মধ্যস্থতাকারীদের পক্ষে অংশ নেন মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক, ট্যাংক লড়ি, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান অদুদ এবং মৌলভীবাজার জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক, হবিগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সজিব আলী, হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের সভাপতি ফজলুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব জমির আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক, ট্যাংক লড়ি, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জালাল মিয়া, হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী প্রমুখ।

সভায় ১৭ এপ্রিল রোববার সন্ধ্যা সাতটা থেকে হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে নির্বিঘেœ বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত হয়। এতে কেউ বাধা আপত্তি দিবেনা বলে সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘটন করা হয়। ২৬ এপিল সকাল ১১টায় মৌলভীবাজার পৌরসভায় মেয়র ফজলুর রহমানের সভাপতিতে আবারো বৈঠক বসবে। সে বৈঠকে এ কমিটি বিবদমান ঘটনার রিপোর্ট দিবে।

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •