
জুড়ী প্রতিনিধি॥ দেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির করচের তেল জৈব জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যাবে বলে রিপোর্ট দিয়েছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিল। জৈব জ্বালানির আরেক কাঁচামাল জ্যাট্রোফার চেয়ে এটি গুনে-মানে উত্তম বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
করচ ঘন ডালাপালা সমৃদ্ধ পরিবারের উপ-পরিবারের একটি উদ্ভিদ। এর রয়েছে বহুবিধ গুনাগুণ। সম্পতি এর নানামুখী কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা করছে পরিবেশ অধিদপ্তরের “উপকূলীয় ও জীব বৈচিত্র্য ব্যাবস্থাপনা প্রকল্পের” উদ্যান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মালেক।
ইতোমধ্যে তিনি করচের বীজ থেকে তেল আহরণ করতে সক্ষম হয়েছেন। এটি পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য বাংলাদেশ শিল্প গবেষণা কাউন্সিলে প্রেরণ করা হয়েছিল। উপকূলীয় ও জীব বৈচিত্র ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের উদ্যান সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও করচ বীজ থেকে তেল উদ্ভাবক মোঃ আব্দুল মালেক জানান, গবেষণালব্ধ ফলাফলে করচের তেল জৈব জ্বালানির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। জৈব জ্বালানির আরেক কাঁচামাল জ্যাট্রোফার চেয়ে এটি গুনে-মানে উত্তম। করচের খইলে নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাসিয়ামের পরিমাণ যথাক্রমে শতকরা ৩.৫, ০.৩৮, ১.৯৮ ভাগ। এছাড়া অন্যান্য উপাদানের অধিক ও যথেষ্ট। তাই এটিকে অন্যান্য খইলের মত উত্তম জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করা যাবে।
এছাড়া করচের খইলের মধ্যে প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট পাওয়া গেছে যথাক্রমে শতকরা ২১.৯২,ও ২৫.৭৪ ভাগ। তাই এটি পোল্ট্রি ফিডের উপাদান হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এটি নিয়ে আরো ব্যাপক গবেষণার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.