
বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গলে ভাঙ্গারীর দোকানে পাওয়া গেছে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর বই। বই বিক্রির অভিযোগ উঠেছে শ্রীমঙ্গল দশরত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষেকের উপর। পরে ভাঙ্গারীর দোকান থেকে বইগুলো ফিরিয়ে আনা হয়।
শ্রীমঙ্গলের ভূনবীর দশরথ উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক ঝলক চক্রবর্তী জানান, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে বিদ্যালয় খোলছে। স্কুল পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে গিয়ে পুরোনো কাগজপত্র বিক্রি করার জন্য বিদ্যালয়ের পিয়নকে নির্দেশদেন। পিয়ন কাগজপত্রের সাথে থাকা উই পোকায় খাওয়া কিছু বইও বিক্রি করে দেয়।
তিনি জানান, এটা কোন অসৎ উদ্দেশ্যে বিক্রি করা হয়নি। খারাপ উদ্দেশ্য হলে বেশি দামে অন্য জায়গায় বিক্রি করা যেতো। কেজি দরে অল্পমুল্যে কাগজের সাথে কিছু পুরাতন উই পোকায় খাওয়া বই চলে গেছে। বই চলে যাওয়ার খবর পাওয়া মাত্রই যা তিনি ফিরিয়ে এনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে জমাও দেন।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের পিয়ন রাম গোপাল দাশ বলেন, তিনি এগুলো ভ্রাম্যমান হকারের কাছে বিক্রি করেছেন। হকার বিক্রি করেছে শহরের সাগর দিঘি সড়কের একটি ভাংগারীর দোকানে।
শহরের সাগরদিঘি সড়কে ওই ভাঙ্গারীর দোকান ইউছুফ আয়রণ মাঠে গিয়ে দেখা যায়, বইগুলো ওজন মাপার যন্ত্রে মেপে মেপে গুদামজাত করা হচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে ২০২০ শিক্ষা বর্ষের কিছু নতুন বই ও ২০১৯ শিক্ষা বর্ষের উইপোকায় কাটা কিছু পুরাতন বই ও পুরোনো কিছু কাগজপত্র।
ইউসুফ আয়রন মার্টের মালিক ইউসুফ জানান, তিনি হকারের কাছ থেকে ১২ টাকা কেজি দরে এ বইসহ কাগজ ক্রয় করেছেন।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দিলীপ কুমার বর্ধন জানান, পুরাতন বই বিদ্যালয় থেকে এভাবে বিক্রির কোন বিধান নেই। এটি বিক্রয় কমিটি রয়েছে সে বিক্রয় কমিটির মাধ্যমে টেন্ডারে বিক্রি করতে হয়। খবর পেয়ে ৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধায় দশরত উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ তারা সেখান থেকে বই গুলো তুলে আনেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.