
বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গলে বন বিভাগ ও রর্্যাব শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পর যৌথ অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৬টি পাখি ও শিকারের বিভিন্ন সরঞ্জাম।
বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শ্যামল কুমার মিত্র জানান, ১৭ জুন শুক্রবার দুপুরে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল উপজেলার লামুয়া গ্রামে হারিস মিয়ার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় হারিস মিয়া পালিয়ে গেলেও তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় পাখি ও পাখি ধরার বিভিন্ন ফাঁদ। পাখি গুলোর মধ্যে ছিলো ২টি শিকারী খোঁড়া, ৩টি ঘুঘু, ও ১টি শিকারী মোরগ। ফাঁদ গুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিল খোঁড়া ফাঁদ ও বন মোরগের ফাঁদ ১০টি , গুলতি ২টি, পাখি ধরার জাল ৭টি, খাঁচা ৫ টি ও বেশ কিছু সজারুর কাটা । তিনি জানান এ অভিযান পরিচালনায় তাদের সহযোগীতা করেছে
Stand For Our Endangered Wildlife|দীর্ঘ দু ঘন্টা প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যে অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল, রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, জুনিয়র ও য়াইল্ড লাইফ স্কাউট তাজুল ইসলাম,জুনিয়র ওয়াইল্ড লাইফ স্কাউট রীশু বড়ুয়া, ফরেস্ট গার্ড সুব্রত সরকার, রর্্যাব -৯ এর ডিএডি গোমাল সারোয়ার ও Stand For Our Endangered Wildlife টিম।
রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, হারিস মিয়া এই শিকারী মুরগ বনের ভিতরে আটকে রেখে চার পাশে ফাঁদ দিয়ে রাখতো। আর শিকারী মুরগের ডাকে বনে থাকা অনান্য বন মুরুগ তার কাছে এলেই ফাঁদে আটকা পড়ে। একই ভাবে ২টি শিকারী খোঁড়া পাখি দিয়েও ফাঁদ পেতে অনান্য পাখি শিকার করতো।
উদ্ধার করা পাখি গুলোকে বন বিভাগের জানকীছড়া রেসকিউ সেন্টারে রাখা হয়েছে। সুবিধামতো সময়ে এগুলোকে অবমুক্ত করা হয়ে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.