
কুলাউড়া অফিস॥ ঢাকা থেকে নিখোঁজ হওয়ার ১০ মাস পর জুড়ীর ছাদ উদ্দিনকে সোমবার রাত ১১টায় সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার পুলিশ আটক করেছে।
২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে মৌলভীবাজার সিআইডি পুলিশ তাকে সেখান থেকে নিয়ে এসে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করে।
জানা যায়, জুড়ী উপজেলার সাগরনাল ইউনিয়নের দক্ষিণ বড়ডহর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল গফুর তাঁর পুত্র আব্দুল আহাদকে (১৮) সিকিউরিটি গার্ডের কাজে মালদ্বীপ পাঠানোর জন্য একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত মহরম আলীর পুত্র চান্দ আলী ওরফে ছাদ উদ্দিন (৫০) এর সঙ্গে চুক্তি করে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা প্রদান করেন। চান্দ আলী ও তাঁর অপর সহযোগী বড়লেখা পৌর শহরের পানিধার এলাকার ফারুক গত বছরের ১১ অক্টোবর আহাদকে (পাসপোর্ট নং ইঊ০৫৫৯৭৭৫ ও ভিসা নং-ডচ০০১৩২৭৮৩) ফ্লাইট দেয়ার জন্য ঢাকা নিয়ে যায়। কিন্তু এক মাসের বেশি সময় আহাদকে নিয়ে কমলাপুর, সায়েদাবাদ ও ফকিরাপুলের বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও ফ্লাইট দিতে পারেনি।
সর্বশেষ ১৮ নভেম্বর রাত ১টা থেকে আহাদ ও চান্দ আলীর মোবাইল ফোন বন্ধ এবং সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ঘটনায় আহাদের পিতা আব্দুল গফুর ঢাকার মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-১৪৫৩, তারিখ: ২২.১২.২০১৫ইং) করেন এবং আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সিআইডি পুলিশের কাছে ন্যস্ত হয়।
এদিকে পুত্র আহাদের সন্ধান পেতে আব্দুল গফুর বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে জানতে পারেন ছাদ উদ্দিন সিলেটের গোলাপগঞ্জ থানার খাটখাই গ্রামে তার আত্মীয়ের বাড়ীতে আছেন। ঘটনাটি মামলার তদন্তকারী সিআইডি ইন্সপেক্টরকে অবহিত করা হয়। এরই সূত্র ধরে সোমবার পুলিশের হাতে আটক হয় ছাদ উদ্দিন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.