মোটা অংকের সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল কর্তৃক শ্রীমঙ্গলে অবৈধ কেবল ব্যবসায়া চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোন প্রকার লাইসেন্স না করে সরকারের ট্রেক্স ফাঁকি দিয়ে প্রায় ৪ হাজার গ্রাহককে লাইন দিয়েছে অবৈধ কেবল ব্যবসায়ী চক্র। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি অবৈধভাবে কেবল ব্যবসায়া চালিয়ে গেলে ও তা যেন দেখার কেউ নেই! ১৪ আগষ্ট বুধবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা কেবল সিসটেমের পরিচালক বৃন্দ। সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রীমঙ্গল কেবল সিস্টেমের চেয়ারম্যান মুছাব্বির আলী মুন্না ও ব্যাবস্থাপনা পরিচাল সিরাজুল ইসলাম দিপু লিখিত বক্তব্যে জানান, শহর ও শহরতলীতে এক শ্রেণির অবৈধ কেবল ব্যবসায়ী কোন প্রকার লাইসেন্স না করে সরকারের ট্রেক্স ফাঁকি দিয়ে প্রায় ৪ হাজার গ্রাহককে লাইন দিয়েছে। অন্যদিকে তারা লাইসেন্স করেও এদের দৌড়াত্বে লাইন টানতে পারছেন না।
মোটা অংকের সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল কর্তৃক শ্রীমঙ্গলে অবৈধ কেবল ব্যবসায়া চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোন প্রকার লাইসেন্স না করে সরকারের ট্রেক্স ফাঁকি দিয়ে প্রায় ৪ হাজার গ্রাহককে লাইন দিয়েছে অবৈধ কেবল ব্যবসায়ী চক্র। দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি অবৈধভাবে কেবল ব্যবসায়া চালিয়ে গেলে ও তা যেন দেখার কেউ নেই! ১৪ আগষ্ট বুধবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা কেবল সিসটেমের পরিচালক বৃন্দ। সাংবাদিক সম্মেলনে শ্রীমঙ্গল কেবল সিস্টেমের চেয়ারম্যান মুছাব্বির আলী মুন্না ও ব্যাবস্থাপনা পরিচাল সিরাজুল ইসলাম দিপু লিখিত বক্তব্যে জানান, শহর ও শহরতলীতে এক শ্রেণির অবৈধ কেবল ব্যবসায়ী কোন প্রকার লাইসেন্স না করে সরকারের ট্রেক্স ফাঁকি দিয়ে প্রায় ৪ হাজার গ্রাহককে লাইন দিয়েছে। অন্যদিকে তারা লাইসেন্স করেও এদের দৌড়াত্বে লাইন টানতে পারছেন না। শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.