
আল আমিন আহমদ॥ বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে দিনব্যাপী গণ অনশন করেছে জুড়ী উপজেলার হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা।
২২ অক্টোবর শনিবার জুড়ী শহিদ মিনারে এ গণঅনশন কর্মসুচী পালিত হয়। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ জুড়ী উপজেলার সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত)হরিপদ করের সভাপতিত্বে ও মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক গৌরাঙ্গ দাসের পরিচালনায় এ গণ অনশন কর্মসুচীতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রিংকু রন্জন দাস,হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উপজেলা সাধারন সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক অরুন চন্দ্র দাস,উপজেলা
পূজা উদযাপন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি বিমল মোদক,সাধারন সম্পাদক সিতাংশু শেখর দাস,পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শ্রীকান্ত দাস,জায়ফর নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতীশ দাস,গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অটন কুষাণ সিংহ
শিবেন ,হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রচার সম্পাদক করুনাময় দাস,কোষাধ্যক্ষ গোধিকা দাস রিপন, পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুভাষ দাস,
উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক চন্দন কুমার দাস,দপ্তর সম্পাদক খোকন দে,সদস্য অসিত দাস,ছাত্রযুব ঐক্য পরিষদের আহবায়ক তপন তান্তি দাস,জুড়ী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক গৌতম দাস প্রমুখ।
গণঅনশন কর্মসুচীতে সংহতি প্রকাশ করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুক মিয়া,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,জেলা পরিষদের সদস্য বদরুল ইসলাম, যুবলীগের সভাপতি মামুনুর রশীদ সাজু,জুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক কামরুল হাসান নোমান,দপ্তর সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসাইন, সালমান আহমদ প্রমুখ।সংহতি প্রকাশ করে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ পানি,জুস পান করিয়ে তাদের অনশন কর্মসুচী সমাপ্ত করান।হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দাবিগুলো হলোঃসংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন,বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন,দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষন আইন প্রণয়ন,জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন,অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন যথাযথ বাস্তবায়ন,পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পাবর্ত্য ভূমি কমিশন আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন,সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.