
হারিস মোহাম্মদ॥ জুড়ীর শাহাজান ভূঁইয়ার মাচায় ঝুলছে শীতকালীন ছোট, বড় ও মাঝারি অসংখ্য লাউ। মাত্র দশ শতক জমিতে শখের বসে হাজারী জাতের লাউ চাষ করে বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে চাষাবাদের প্রতি তাঁর আগ্রহ বাড়ার পাশাপাশি ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের চাহিদা মিটিয়ে ইতিমধ্যে ৩০ হাজার টাকার অধিক লাউ বিক্রি করেছেন।
আশার চেয়ে অধিক ফলন হওয়ায় আরো লক্ষাধিক টাকার লাউ বিক্রয় করা যাবে এমনটাই মনে করছেন শাহাজান। জানা গেছে, জুড়ী উপজেলা পশ্চিম জুড়ি ইউপির বাছিরপুর গ্রামের কৃষক শাহাজান ভূইয়া (৬০)। কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী মাত্র দশ শতক জমিতে ২ মাস পূর্বে হাজারী জাতে লাউয়ের বীজ বপন করেন। সঠিক ভাবে শ্রম ও অপকারি পোকামাকড় নিধনে সঠিক প্রযুক্তি ব্যবহারে দিনগড়ানোর সাথে সাথে পাল্টে গেছে ফলনে দৃশ্যপট।
এলাকা ও হাটে টাটকা লাউয়ের ভালো চাহিদা ও দাম পাওয়ায় তিনি আনন্দিত।এছাড়াও তিনি ফ্রান্স বিন, লালশাক, পালনশাক, করলা, ধনিয়াপাতা, শীম, লাইশাক ও সরিষা ইত্যাদি আবাদ করেছেন। লাউ চাষি শাহাজান ভূইয়া বলেন, আমি শখেরবসে দুমাস পূর্বে হাজারী জাতের লাউের বীজ রোপন করি।
কয়েকদিনের ব্যবধানে অনেক ভালো ফলন হয়েছে। এলাকায় ও বাজারে ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছি। আশা করছি আরো লক্ষাধিক টাকার লাউ বিক্রি করতে পারব।
জুড়ী উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন মুঠোফোনে জানান, উপজেলার নিম্নাঞ্চলে লাউ, মিষ্টিকুমড়া জাতীয় সবজি চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনায় আবাদ করলে বেকারত্ব দূর হওয়ার পাশাপাশি সাবলম্বী হওয়া সম্ভব। শাহাজান ভূঁইয়া কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী লাউ চাষ করে সফল হয়েছেন। আশা করি তার মতো এলাকার অনেকেই সবজি চাষে এগিয়ে আসবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.