
হারিস মোহাম্মদ॥ জুড়ী উপজেলার কান্টিনাল নদীর উপর নির্মিত রাবার ড্যামের আওতায় প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে রবিশস্য ও বোরো চাষ হয়ে আসছিল। কয়েক বছর যাবত রাবার ড্যামের কমিটি না থাকায় একটি কচুক্রি মহল রবিশস্য ও বোরোর ভরা মৌসুমে যখন তখন আবার ড্যামের পানি ছেড়ে দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ফলে পানির অভাবে রবিশস্য ও বোরো চাষীরা সেচ দিতে পারছেননা।
বুধবার ১৮ জানুয়ারি সরজমিনে গেলে, জলমহালের ইজারাদার ও স্থানীয় কৃষকরা জানায় মঙ্গলবার ১৭ জানুয়ারি একটি দুষ্কৃতিকারী চক্র রাবার ডেমের পানি ছেড়ে দেয়। পানি ছেড়ে দেয়ায় একদিকে সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা অন্য দিকে কন্টিনালা নদীর পানি মেমে গিয়ে লামা এলাকার গরগরন বিল সহ কয়েকটি বিলে পানি প্রবেশ করায় বিলের কয়েক লাখ টাকার মাছ ভেসে যায়।
গরগরন বিলের ইজারাদার মোঃ হাকিম জানান, ইজারা বাবদ আমি সরকারকে প্রায় ৪০ লাখ টাকা দিয়েছি। রাবার ড্যামের পানি ছেড়ে দেওয়ায় বিলের বিশাল ক্ষতি হয়েছে। আগামী চৈএ মাসের ৩০ তারিখে বিলের ইজারার মেয়াদ শেষ হবে। এ সময়ের মধ্যে লাভ দুরের কথা পুুজি উঠে আসবে কিনা এ নিয়ে সংখ্যার মধ্যে আছি।
কৃষক আবুল কাসেম, ফরমুজ আলী,আব্দুল বারেক হাসিম মিয়াসহ অনেকেই জানান, পানির অভাবে সেচ দিতে পারছিনা। দুষ্কৃতিকারীরা যখন তখন রাবার ড্যামের পানি ছেরে দিয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে ওই কচুক্রি মহলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য তারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.