
হারিস মোহাম্মদ॥ প্রেমের টানে ভাসুরের ছেলের হাত ধরে কেনিজ আক্তার জুমি নামে এক গৃহবধূ পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার ২২ জানুয়ারি দুপুরে জুড়ী উপজেলার কচুরগুল গ্রামে।
জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত ফরমুজ আলীর সৌদি প্রবাসী ছেলে আসকর আলীর (৪০) এর সাথে একই গ্রামের মৃত সফিক উদ্দিনের মেয়ে কেনিজ আক্তার জুমি (৩০) এর সাথে ১৫ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর আসকর আলী আবারও প্রবাসে চলে যান। বিয়ের পর তাদের দাম্পত্য জীবন সুখেই কাটছিল। বিয়ের পর আসকর ৫ বার প্রবাস থেকে দেশে আসেন। দাম্পত্য জীবনে আসকরের ৭ বছরের আবদুল্লাহ নামে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
আসকর সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশে আসেন। দুই মাস দেশে থাকার পর আবারও প্রবাসে চলে যান। আসকর প্রবাসে চলে যাওয়ার সুযোগে তারই আপন বড় ভাই আসিক আলীর ছেলে রাহিন (২২) আসকেরের ঘরে যাওয়া আাসা করতে থাকে। আসা যাওয়ার এক পর্যায়ে রাহিনের কু-দৃষ্টি পড়ে চাচী কেনিজের উপর। রাহিন চাচী কেনিজ আক্তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে সে প্রস্তাবে সাড়া দেয়।
এর পর থেকে চলতে থাকে রাহিন ও কেনিজের গোপন ভালোবাসা। এক সময় রাহিন ও কেনিজ বেপরুয়া চলাফেরা শুরু করে। কেনিজের ঘরে রাহিনের ঘন ঘন আসা যাওয়ার বিষয়টি ভাল ভাবে নেননি আত্মীয়-স্বজনরা। তারা রাহিন ও কেনিজ আক্তারকে এ পথ থেকে সরে আসার জন্য সতর্ক করেন। এক পর্যায়ে তাদের অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়।
তখন রাহিন ও কেনিজ পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ঘটনার দিন দুপুরে সুযোগ বুঝে কেনিজ আক্তার ছেলে আব্দুল্লাহকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়ানোর কথা বলে নগদ ১৫ লাখ টাকা, চার ভরি স্বর্ণালংকারসহ মোট ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পারি জমায়।
সৌদি আরব থেকে মুঠোফোনে কেনিজের স্বামী আসকর আলী জানান, কেনিজ আক্তার আমার কষ্টের জমানো টাকা পয়সা ও সোনা গহনাসহ সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। আমি আমার কলিজার টুকরো সন্তানকে ফেরত চাই বলে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন ।
সোমবার ২৩ জানুয়ারি আসকর আলীর ভাই হারিছ আলী বাদী হয়ে জুড়ী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জুড়ী থানার এসআই মো. ফরহাদ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওযয়া হচ্ছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.