
স্টাফ রিপোর্টার॥ দেশের প্লাস্টিক দূষণ রোধে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবস্থাপনা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের সাথে আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসাথে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি জিওসাইকেল বাস্তবায়ন বিষয়ে লাফার্জ হোলসিম এর সাথে আলোচনা করা হয়েছে।
সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) মোঃ মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত সচিব(পরিবেশ) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ) মোঃ মিজানুর রহমান, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ইউন জু অ্যালিসন ইয়ি, বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সহ মন্ত্রণালয়, বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থার উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
সভায় সাসটেইনেবল প্লাস্টিক ম্যানেজমেন্ট একশন প্ল্যান বাস্তবায়নে পলিসি ও অর্থায়ন কৌশল বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের পক্ষে প্রস্তাবনা উপস্থাপনা করা হয়। সভায় আরও জানানো হয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এক্সটেন্ডেড প্রোডিউসার্স রেন্সপন্সিবিলিটি (ইপিআর) প্রস্তুত করছে বিশ্বব্যাংক। বেলার নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান প্লাস্টিক বিষয়ক ইপিআর এর খসড়া গাইডলাইন্স বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।
লাফার্জ হোলসিম এর জিয়োসাইকেল বিভাগের প্রধান কৌশিক মুখার্জি দূষণ নিয়ন্ত্রণে জিওসাইকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, আশি থেকে দুই হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রাসম্পন্ন চুল্লিতে কোন ধরনের অবশিষ্ট ছাড়াই ময়লা-আবর্জনাকে পুড়িয়ে ফেলার পদ্ধতি জিওসাইকেল বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বাস্তবায়ন করছে হোলসিম। তিনি বলেন, জিওসাইকেল পদ্ধতিতে শতভাগ বর্জ্য পুড়ে যায়, ও জীবাশ্ম জ্বালানির স্থলে আবর্জনা ব্যবহার করা হয় বলে এই প্রক্রিয়া গ্রিন হাউজ গ্যাস উৎপাদন করে না।
সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ সচিব ডক্টর ফারহিনা আহমেদ জিওসাইকেল পদ্ধতির প্রশংসা করে বলেন, এ বর্জ্যব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরিবেশসম্মত ও কার্যকরীভাবে বাস্তবায়নযোগ্য মনে হলে সরকার এটি বাস্তবায়ন করবে। তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে পরামর্শ করে টেকসই প্লাস্টিক ম্যানেজমেন্ট একশন প্ল্যান বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় গাইডলাইন্স প্রণয়ন করা হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.