
বিকুল চক্রবর্তী॥ শ্রীমঙ্গলে সরকার প্রদত্ত চা শ্রমিক সর্ম্পকীত নিম্নতম মজুরী বোর্ডের সুপারিশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন।
মজুরী বোর্ড প্রকাশিত গেজেটে চা শ্রমিকদের বেতন বৈষম্য ও জীবনমানের সাথে অসামঞ্জস্য ইনক্রিমেন্টসহ একাধিক বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে সাংবাদিক সম্মেলন করে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটি।
মঙ্গলবার ২৯ আগস্ট দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলস্থ বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তা প্রত্যাহারের ঘোষনা দেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়ন এর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিপেন পাল।
তিনি বলেন, চা শ্রমিকদের প্রতিনিধি ছাড়া এই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে যা চা শ্রমিকদের স্বার্থ পরিপন্থি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি পংকজ কন্দ, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দি, বালিশিরা ভ্যালী সভাপতি বিজয় হাজরাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, যেখানে প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিকদের মজুরী ১৭০ টাকা নির্ধারন করে দিয়েছেন সেখানে সি ক্লাস ও বি ক্লাস বাগান দেখিয়ে মজুরী বোর্ড শ্রমিকদের বেতন নির্ধারণ করেছে ১৬৮ টাকা, ১৬৯ টাকা ও ১৭০ টাকা। এটি কিছু শ্রমিকদের সাথে মানবাধিকার হননের সামিল।
একই সাথে বেতন বৃদ্ধির জন্য প্রতি দুই বছর পর পর যে মালিক শ্রমিক চুক্তি হতো সেই চুক্তিতে মজুরীরর বিষয়টি তুলে মাত্র বার্ষিক ৫শতাংশ ইনক্রিমেন্ট দেয়া হয়েছে।
এটি শ্রমিকদের স্বার্থের চরম পরিপন্থি জানিয়ে তারা বলেন, মাত্র ১৭০ টাকা মজুরীর ৫ শতাংশ বার্ষিক বৃদ্ধি পাবে আট থেকে সাড়ে আট টাকা।
এটি বর্তমানে ও ভবিষতে দব্যমুল্যের উর্ধ্বগতির বাজারে শ্রমিকদের পক্ষে মানিয়ে নেয়া সম্ভবনা। বিষয়টি পুণ:বিবেচনা করা অথবা মজুরীর বিষয়টি বার্গেনিং-এ উভয় পক্ষের সমোজতায় রাখার জন্য প্রস্তাব করেন তারা।
এ সময় তারা বলেন, এ বিষয়ে আগামী রবিবার প্রত্যেক ভ্যালী কমিটি স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে স্মারকলীপী দিবেন।
উল্লেখ্য গত ১০ আগস্ট চা শ্রমিকদের বেতনভাতাসহ অনান্য বিষয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে নিন্মতম মজুরী বোর্ড।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.