
সাইফুল ইসলাম॥ শ্রীমঙ্গল. জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ও প্রজনন ক্ষেত্র। এই বনের মধ্য দিয়ে ঢাকা-সিলেট রেলপথ ও সড়ক পথ চালু রয়েছে।
অধিক রেল ও যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কপথে ও ট্রেনের চাকায় পিষ্ট হয়ে বন্যপ্রাণী মারা যাচ্ছে ও আহত হচ্ছে।
পাশাপাশি সড়ক দূর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলুন, সর্ব্বোচ্চ গতিসীমা জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে ২০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করার জন্য সাইনবোর্ড স্থাপন করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো: মনজুর রহমান পিপিএম (বার)।
শুক্রবার ৮ সেপ্টেম্বর বিকালে মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া ফটকের সামনে ‘সড়ক দূর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক সিগনাল মেনে চলুন, সর্ব্বোচ্চ গতিসীমা ২০ কিলোমিটার’ এমন লেখা জনসচেতনতামূলক ৫০ বিলবোর্ড স্থাপনের অনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন পুলিশসুপার।
পরেওই দিন বিকাল ৬টার দিকে শ্রীমঙ্গল বাইক্কাবিল হাইলহাওরে পাখিশিকার বন্ধে জনসচেতনতামূলক কয়েকটি বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়।
‘বাইক্কাবিলে পাখিদের অবাধ বিচরণ স্থল, জীব বৈচিত্র্য রক্ষায় পাখিশিকার বন্ধ করুন’ এমন প্রচারণামূলক লেখা বিল বোর্ড বাইক্কাবিলে স্থাপন করা হয়। পরে শিকারিদের হাত থেকে উদ্ধার করা একটি ঘুঘুপাখি অবমুক্ত করেন পুলিশ সুপার।
সচেতনতামূলক কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) সুদর্শন কুমার রায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোহসিন, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তীসহ বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ রক্ষায় সেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং জেলা ও থানা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার মো: মনজুর রহমান বলেন, লাউয়াছড়া বন ও বাইক্কাবিল বন্যপ্রাণী এবং পাখিদের অভায়শ্রম। বনের ভেতর বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালালে বন্যপ্রাণীর জীবন ঝুঁকির সম্ভবনা রয়েছে এবং দূর্ঘটনাও ঘটবে।
এসব বিবেচনায় সচেতনতার জন্য বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। তিনি সবাইকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার নির্দেশনা দেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.