
বিকুল চক্রবর্তী : শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক মেয়র মহসীন মিয়া মধু কয়েক মেয়াদের শ্রীমঙ্গল পৌরসভার মেয়র ছিলেন। বর্তমান অন্তরবর্তী সরকার কর্তৃক সারা দেশের পৌরসভার মেয়র পদ বিলুপ্ত হলে তিনিও মেয়রের দায়িত্ব ছাড়েন। কিন্তু মেয়রের দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও জনসেবা তাকে ছাড়েনি। চলমান বন্যায় মৌলভীবাজারের বানবাসী মানুষের বান্ধব হয়ে উঠেন তিনি। মহসীন মিয়া মধু জেলার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের মধ্যে তাৎক্ষনিক খাদ্য সহায়তা পৌছে দিয়েছেন এবং এখনও তা অভ্যাহত রেখেছেন।
মহসীন মিয়া মধু বলেন, দূর্যোগ বলে আসেনা। হঠাৎ করে বন্যা হয়েছে। মানুষ প্রস্তুত ছিলনা এ বন্যার। অনেকে এক কাপড়ে ঘর ছেড়েছেন। আমার মেয়র পদ নেই তাতে কি হয়েছে সামর্থ অনুযায়ী মানুষ হিসেবে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য। প্রায় দুই শতাধিক লোক এক যোগে প্যাকেটিং এর কাজ করেছেন। তিন দিনে তিন হাজার প্যাকেট তৈরী করেছি। আমার ৫টি টিম দুই উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছে। যতক্ষন প্রয়োজন আমার প্যাকেট তৈরী চলতে থাকবে।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা বিএনপির প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব আলী বলেন, মহসীন মিয়া মধুর এই মানবিক কর্মকান্ডে আমরা প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী সামিল হয়েছি। ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছি। যতক্ষন প্রয়োজন ততক্ষন আমরা দিতে থাকবো।
এ ব্যাপারে মহসীন মিয়া মধুর ছেলে মুরাদ হোসেন সুমন জানান, তিনদিন ধরে সকালে ঘর থেকে বেরহন এবং রাতে ঘরে ফিরেন। খাওয়া দাওয়া রাস্তায় করেন। কখনও নৌকায়, কখনও পানি মারিয়ে, কখনও মটর সাইকেল আবার কখনও জীপে চড়ে তিনি সংগীদের নিয়ে পৌছেছেন দুর্গত এলকায়। বানবাসী মানুষের হাতে কিছু খাদ্য সহায়তা দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন। তিনি বলেন, তার পিতা মহসীন মিয়া প্রায় ১০ হাজার প্যাকেটের খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করে তাদের হেলদি চয়েজের গোদামে প্যাপেটিং করাচ্ছেন। যতক্ষন প্রয়োজন ততক্ষন তারা সহায়তা দিবেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.