মাধবকুন্ডে ৮ কিঃমিঃ রাস্তার বেহাল দশায় ভোগান্তি চরমে পর্যটকদের

October 22, 2013, এই সংবাদটি ৩৭৮ বার পঠিত

বড়লেখা উপজেলার মাধবকু- জলপ্রপাতে এবার পূজা ও ঈদের ছুটিতে পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত ছিল। ঈদের ছুটির সুযোগে সব ধর্ম-বর্ণের পর্যটকের আগমনে আনন্দপুরিতে পরিণত ছিল জলপ্রপাত ও আশপাশের এলাকা। পর্যটকদের আগমনে হাসিরেখা ফুটে উঠেছে মাধবকু-ের হোটেল-মোটেলসহ সব ধরণের ব্যবসায়ীমহলে। মাধবকু-গামী ৮ কিলোমিটার বেহাল রাস্তার কারণে মূল পিকনিক স্পটে পৌঁছতে ভ্রমণপিপাসুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরু ও ভাঙ্গা রাস্তার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকবাহী যানবাহনগুলো জলপ্রপাতের ৮ কিলোমিটার পিছনে আটকে দেয়া হয়। এখান থেকে পায়ে হেঁটে ও অটোরিক্সা ভাড়া করে ভ্রমণপিপাসুদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হতে হয়। অটোরিক্সা চালকরা আগতদের নিকট থেকে নির্ধারিত ভাড়ার তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করে। এদিকে রাস্তার বেহাল দশার কারণে জলপ্রপাতে আসা পর্যটকরা কু-ের প্রবেশ গেটের সামনে বিক্ষোভ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়। ঈদের পরদিন ১৭ অক্টোবর মাধবকু- জলপ্রপাতে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, সরু রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন। মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ কর্র্র্র্তৃক নির্মিত যানবাহন রাখার টার্মিনালে স্থান সংকুলান না হওয়ায় রাস্তার ওপর এলোমেলোভাবে যানবাহন রাখায় দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়। হাজারও পর্যটককে অনেক দূরে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে যেতে হয় জলপ্রপাতের কাছে। অস্থায়ী একটি টার্মিনালে গাড়ি রাখা হয়, এ স্থানে ৫০ টির বেশি গাড়ি রাখা যায় না। ৫০০ টি গাড়ি রাখার তো স্থায়ী একটি টার্মিনাল করার জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী পর্যটকরা। পর্যটকদের জন্য উৎকৃষ্ট পর্যটন কেন্দ্র মাধবকু- জলপ্রপাত। এবার জলপ্রপাতে পর্যটকদের বিশ্রামের জন্য ৬ টি ছনের কটেজ, বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর প্রতিকৃতি নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্রবেশ গেট থেকে জলপ্রপাত পর্যন্ত রাস্তার দু’ পাশে ফুলের গাছ রোপণ করা হয়, যা বাড়তি আনন্দ দিয়েছে আহতদের। কিন্তু কাঁঠালতলী থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার সমতল ও পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তার বেহাল দশা পর্যটকদের দুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বছরের পর বছর ধরে এমনতর অবস্থা চলে আসলেও সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের বোধোদয় হয় না। রাস্তার সিংহভাগ জুড়েই বড়ো বড়ো একাধিক গর্ত ও কার্পেটিং ওঠে যাওয়ায় পর্যটকরা ভোগান্তিতে পড়েন। সরু ও ভাঙ্গা রাস্তা হওয়ায় যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। ঈদের ছুটিতে মাধবকু- জলপ্রপাতে বেড়াতে আসা পর্যটক একাধিক পর্যটক জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সরু ও ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে আমরা এসেছি এখানে। কি পরিমাণ কষ্ট হয়েছে তা বলে বুঝানো যাবে না। রাস্তায় অনেকের গাড়ির চাকা পাংচার হয়েছে। এবার এখানে আসতে পর্যটকদের যে ভোগান্তি হয়েছে তাতে আগামীতে রাস্তা সংস্কার না হলে পর্যটক আর আসবে না। অপরদিকে রাস্তার টেন্ডার হচ্ছে হচ্ছে আর হয়েছে বলেই বছরের পর বছর করছে সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ। বছর ঘুরে বছর আসে কিন্তু রাস্তার টেন্ডারও শেষ হয় না, সংস্কারও তাই হয় না। কি এক রহস্যজনক কারণে রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছে না সেটি জানতে চায় এখানকার অধিবাসীরা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আমিনুর রহমান জানান, কাঁঠালতলী থেকে জলপ্রপাত গেট পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের আরটিআইপি-২ থেকে টেন্ডার করা হয়েছে। শীত মৌসুমে কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বড়লেখা উপজেলার মাধবকু- জলপ্রপাতে এবার পূজা ও ঈদের ছুটিতে পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত ছিল। ঈদের ছুটির সুযোগে সব ধর্ম-বর্ণের পর্যটকের আগমনে আনন্দপুরিতে পরিণত ছিল জলপ্রপাত ও আশপাশের এলাকা। পর্যটকদের আগমনে হাসিরেখা ফুটে উঠেছে মাধবকু-ের হোটেল-মোটেলসহ সব ধরণের ব্যবসায়ীমহলে। মাধবকু-গামী ৮ কিলোমিটার বেহাল রাস্তার কারণে মূল পিকনিক স্পটে পৌঁছতে ভ্রমণপিপাসুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সরু ও ভাঙ্গা রাস্তার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পর্যটকবাহী যানবাহনগুলো জলপ্রপাতের ৮ কিলোমিটার পিছনে আটকে দেয়া হয়। এখান থেকে পায়ে হেঁটে ও অটোরিক্সা ভাড়া করে ভ্রমণপিপাসুদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছতে চরম দুর্ভোগ ও হয়রানির শিকার হতে হয়। অটোরিক্সা চালকরা আগতদের নিকট থেকে নির্ধারিত ভাড়ার তিনগুণ বেশি ভাড়া আদায় করে। এদিকে রাস্তার বেহাল দশার কারণে জলপ্রপাতে আসা পর্যটকরা কু-ের প্রবেশ গেটের সামনে বিক্ষোভ করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়। ঈদের পরদিন ১৭ অক্টোবর মাধবকু- জলপ্রপাতে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, সরু রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ লাইন। মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ কর্র্র্র্তৃক নির্মিত যানবাহন রাখার টার্মিনালে স্থান সংকুলান না হওয়ায় রাস্তার ওপর এলোমেলোভাবে যানবাহন রাখায় দীর্ঘ জটের সৃষ্টি হয়। হাজারও পর্যটককে অনেক দূরে গাড়ি রেখে পায়ে হেঁটে যেতে হয় জলপ্রপাতের কাছে। অস্থায়ী একটি টার্মিনালে গাড়ি রাখা হয়, এ স্থানে ৫০ টির বেশি গাড়ি রাখা যায় না। ৫০০ টি গাড়ি রাখার তো স্থায়ী একটি টার্মিনাল করার জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী পর্যটকরা। পর্যটকদের জন্য উৎকৃষ্ট পর্যটন কেন্দ্র মাধবকু- জলপ্রপাত। এবার জলপ্রপাতে পর্যটকদের বিশ্রামের জন্য ৬ টি ছনের কটেজ, বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর প্রতিকৃতি নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য প্রবেশ গেট থেকে জলপ্রপাত পর্যন্ত রাস্তার দু’ পাশে ফুলের গাছ রোপণ করা হয়, যা বাড়তি আনন্দ দিয়েছে আহতদের। কিন্তু কাঁঠালতলী থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার সমতল ও পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তার বেহাল দশা পর্যটকদের দুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বছরের পর বছর ধরে এমনতর অবস্থা চলে আসলেও সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের বোধোদয় হয় না। রাস্তার সিংহভাগ জুড়েই বড়ো বড়ো একাধিক গর্ত ও কার্পেটিং ওঠে যাওয়ায় পর্যটকরা ভোগান্তিতে পড়েন। সরু ও ভাঙ্গা রাস্তা হওয়ায় যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। ঈদের ছুটিতে মাধবকু- জলপ্রপাতে বেড়াতে আসা পর্যটক একাধিক পর্যটক জানান, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সরু ও ভাঙ্গা রাস্তা দিয়ে আমরা এসেছি এখানে। কি পরিমাণ কষ্ট হয়েছে তা বলে বুঝানো যাবে না। রাস্তায় অনেকের গাড়ির চাকা পাংচার হয়েছে। এবার এখানে আসতে পর্যটকদের যে ভোগান্তি হয়েছে তাতে আগামীতে রাস্তা সংস্কার না হলে পর্যটক আর আসবে না। অপরদিকে রাস্তার টেন্ডার হচ্ছে হচ্ছে আর হয়েছে বলেই বছরের পর বছর করছে সংশি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ। বছর ঘুরে বছর আসে কিন্তু রাস্তার টেন্ডারও শেষ হয় না, সংস্কারও তাই হয় না। কি এক রহস্যজনক কারণে রাস্তাটির সংস্কার হচ্ছে না সেটি জানতে চায় এখানকার অধিবাসীরা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ আমিনুর রহমান জানান, কাঁঠালতলী থেকে জলপ্রপাত গেট পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের আরটিআইপি-২ থেকে টেন্ডার করা হয়েছে। শীত মৌসুমে কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এম. মছব্বির আলী॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •