
হোসাইন আহমদ॥ মৌলভীবাজার শহরের হাফিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবারের জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে অবিশ্বরণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্টানটি ১০ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে ওই বছর চমৎকার ফলাফলা উপহার দিয়েছে। ফলাফলে শিক্ষক, অভিবাক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করেছে।
এবারের জেএসসি পরীক্ষায় ২১১ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে এপ্লাস ১২ জন এবং এগ্রেড ৬২ জনসহ ২০০ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৯০ শতাংশ।
৩১ ডিসেম্বর শনিবার স্কুলে গেলে এ প্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থী নাঈমা আক্তার জুতি’র সাথে কথা হয়, সে বলে “লেখাপড়া শেষ করে মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই। তার ভালো ফলাফলের পিছনে স্কুলের শিক্ষক এবং অভিবাবকদের অবদানের কথা স্বীকার করে”। এডঃ নিত্য গোপাল গোস্বামী ও শিক্ষিকা নন্দীনি গোস্বামীর মেয়ে নদীয়া গোস্বামী জেএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে এ প্লাস পেয়েছে। সে ভবিষৎতে ডাক্তার হয়ে নিজ এলাকার সাধারণ মানুষকে বিনা মূল্যে সেবা দিতে চায়। ওই স্কুলের আরেক ছাত্রী খানিজ ফাতেমা লেখাপড়া করে ইঞ্জিণিয়ার হতে চায়। তার এপ্লাস পাওয়ার পেছনে আম্মুর অবদান বেশি বলে সে মন্তব্য করে।
এ সময় অভিবাবক সদস্য আতাউর রহমান, মোস্তফা জামান আনসারী ও মাহমুদুর রহমান বলেন, এবার আমাদের স্কুলে যে ফলাফল হয়েছে তা গত ১০ বছরেও এরকম হয়নি। শিক্ষার্থীরা স্কুলে না আসলে আমরা পরিচালনা কমিটির সদস্যরা বাসা-বাড়িতে গিয়ে না আসার কারণ জেনেছি এবং তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। তারা বলেন, ওই রিজাল্টের পিছনে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষদেরও অনেক অবদান রয়েছে।
প্রধান শিক্ষিকা রাশেদা বেগম বলেন, তুলনা মূলক ভাবে অন্যান্য স্কুলের চেয়ে আমার স্কুল অনেক ভালো ফলাফল করেছে। আমি আসাবাদী আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এই স্কুলকে একটি মডেল স্কুলে পরিণত করব। প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গিকার নারীদের অধিকার বাস্তবায়ন করার জন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.