ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দেশের মাটিতে তারেক রহমান
স্টাফ রিপোর্টার : অনেক জল্পনা-কল্পনার পর দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটল। এসব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রিয় জন্মভূমির মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি পূর্বাচলের ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট সড়ক) সংলগ্ন বিশাল গণসংবর্ধনা মঞ্চের দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে বিকেল ৪টায় বক্তব্য রাখেন।
বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিশেষ ফ্লাইট ‘বিজি ২০২’ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
বিমানের চাকা রানওয়ে স্পর্শ করার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মীর গগনবিদারী স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশ। প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে রানওয়ে থেকে ভিআইপি লাউঞ্জ পর্যন্ত তৈরি করা হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয়। তারেক রহমানের সঙ্গে একই ফ্লাইটে এসেছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে তারেক রহমানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। এর আগে তারেক রহমান বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করেই তাঁর ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন বার্তায় লেখেন- ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!’ বিমানবন্দরের সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারেক রহমান একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে সরাসরি পূর্বাচলের ‘৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে’ (৩০০ ফিট সড়ক) সংলগ্ন বিশাল গণসংবর্ধনা মঞ্চের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে অপেক্ষমান লাখো জনতার উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেবেন। ভাষণ শেষে তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার অসুস্থ মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে যাবেন এবং এরপর গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।



মন্তব্য করুন