
কমলগঞ্জ প্রতিনিধি : কমলগঞ্জ উপজেলা সদর ইউনিয়নের বাল্লারপার গ্রামের কৃতী সন্তান মুকিম বক্ত প্রবাস জীবনেও সততা, মানবিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন। যুক্তরাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করলেও নিজ এলাকা ও মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা আজও অটুট রয়েছে।
১৯৮০ সালে ঐতিহ্যবাহী বক্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মুকিম বক্ত। তার পিতা মো. কুতুব বক্ত এবং মাতা মরহুমা ফুল ভানু বেগম। দাদা মরহুম ফিরোজ বক্ত কমলগঞ্জ উপজেলার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, বাল্লারপারের ঐতিহ্যবাহী বক্তবাড়ি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই পরিবারের পূর্বসূরীদের উদ্যোগে ভানুগাছ বাজারের ঐতিহাসিক ছৈদ কারির মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া বাল্লারপার ঈদগাহ নির্মাণেও বক্ত পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
শিক্ষাজীবনে মুকিম বক্ত কমলগঞ্জ হাই স্কুল থেকে এসএসসি, সিলেট সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং এমসি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৮ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। বর্তমানে লন্ডনের বেথনাল গ্রীন ও বো এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে প্রবাসে অবস্থান করলেও তিনি ব্যক্তি জীবনে একজন সৎ, ধার্মিক ও মানবিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড় মুকিম বক্ত বর্তমানে যুক্তরাজ্যস্থ কমলগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রবাসে থেকেও কমলগঞ্জবাসীর বিভিন্ন সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও তার বন্ধু-বান্ধবরা জানান, ছোটবেলা থেকেই মুকিম বক্ত অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও সদালাপী স্বভাবের ছিলেন। মানুষের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতার কারণেই তিনি সবার কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন।
এলাকাবাসীসহ তার বন্ধু-বান্ধবদের দাবি, মুকিম বক্তের জীবদ্দশায় যেন তিনি একটি ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করতে পারেন। তাদের মতে, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে এমন একটি প্রতিষ্ঠান এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং মুকিম বক্তের মানবিক ও ধর্মীয় চিন্তার স্থায়ী স্মারক হয়ে থাকবে।
এলাকাবাসী আল্লাহ মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও নেক হায়াত কামনা করেছেন।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.