মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান দরকার নেই……….. এই কি স্বাধীনতা? ভিক্ষাবৃত্তিই আমার মুক্তিযুদ্ধের পুরষ্কার

December 17, 2013, এই সংবাদটি ১৫৩ বার পঠিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা সফর আলী একাত্তরে তিনি টগবগে তরুন,দেশমাতৃকার মুক্তির আকাঙ্খায় সেদিন যে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মরনপণ সংগ্রামে, মুক্ত স্বাধীন স্বদেশে-সেই জীবন বাচানোর তাগিদে আজ হাত পাতেন অপরের করুণার প্রত্যাশায়। আর বিড় বিড় করে নিজেকে প্রশ্ন করেন এই কি বিজয়, এই কি স্বাধীনতা? ভিক্ষাবৃত্তিই আমার মুক্তিযুদ্ধের পুরষ্কার। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মনরাজ গ্রামের টগবগে যুবক সফর আলী ৬৯’র আন্দোলনমুখর দিনে তৎকালীন মুজাহিদ বাহিনীর চাকুরি ছেড়ে নেমে আসেন রাজপথে। রাজপথের মিছিলে কুলাউড়ার জননন্দিত নেতা মরহুম সংসদ সদস্য আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। ৭০’র সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হিসেবে স্বক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহন করেন। বাল্যকালে পিতৃহারা সেদিনের এই টগবগে যুবক মৌলভীবাজার-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সৈয়দ মহসীন আলী, কুলাউড়ার প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল জব্বার, জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মুমিত আসুক সাহেবের সাথে ৪নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর সি.আর দত্তের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধে যাবার সময় মা, স্ত্রী, কন্যা সহ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার সময়টুকু পাননি। ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অনেক সাথীকে হারিয়ে মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত করেছেন। দেশ ও জাতির বিজয় অর্জিত হয়েছে। বিজয়ের ৪৩ বছর পরও তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি কান্না বিজড়িত কন্ঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা সফর আলী জানান,দেশ স্বাধীনের পরপরই সকল নেতার দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি একটি কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য। তার ভাগ্যে কোন কাজ জুটেনি। শরীরের শক্তি থাকায় দেশ স্বাধীনের পর তিনি রিক্সা চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের অন্নের সংস্থান করতেন। অসুস্থ মা চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।এখন আর শরীরে শক্তি নেই, স্ত্রী, কন্যা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রায়ই অর্ধাহারে থাকতে হয়।মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট থেকে ২ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হয়। এই ভাতার টাকায় সংসার চলে না, নিজের কোন বাড়ি ভিটে নেই। শ্বশুড় বাড়ির একখন্ড ভূমিতে যাযাবরের মত তাকে দিনাতিপাত করতে হয়।বর্তমানে তিনি কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের মনসুর গ্রামে বসবাস করছেন। প্রতিনিয়ত মানুষের করুণার পাত্র হয়ে তাকে হাত পাততে হয়। মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মানে সমাহিত করার চেয়ে তাঁর কাছে এ মুহুর্তে নিয়মিত দু’মুঠো অন্ন বড় জরুরী। জীবনের শেষ বয়সে অসুস্থ এই বীর মুক্তিযোদ্ধার ডান হাত টি পঁচে পড়ার উপক্রম। সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাকে দেখা হয় অবহেলিত চোখে,ঔষুধ সরবরাহ করা হয় মাত্র ৩টাকার। তিনি জানান,বিজয়ের ৪৩ তম বছর চলতেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সফর আলীর আর্তি মাথা গুজার একটু স্থান, নিয়মিত দু’মুঠো ভাত খেয়ে জীবনের শেষ সময়ে মানুষের কাছে হাত না পেতে একটু শান্তিতে মৃত্যু। বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় গণতান্ত্রিক সরকার অধিষ্ঠিত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার পরিজনদের পুনর্বাসনের জন্য অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁকে পুণর্বাসনের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা সফর আলী একাত্তরে তিনি টগবগে তরুন,দেশমাতৃকার মুক্তির আকাঙ্খায় সেদিন যে জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মরনপণ সংগ্রামে, মুক্ত স্বাধীন স্বদেশে-সেই জীবন বাচানোর তাগিদে আজ হাত পাতেন অপরের করুণার প্রত্যাশায়। আর বিড় বিড় করে নিজেকে প্রশ্ন করেন এই কি বিজয়, এই কি স্বাধীনতা? ভিক্ষাবৃত্তিই আমার মুক্তিযুদ্ধের পুরষ্কার। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের মনরাজ গ্রামের টগবগে যুবক সফর আলী ৬৯’র আন্দোলনমুখর দিনে তৎকালীন মুজাহিদ বাহিনীর চাকুরি ছেড়ে নেমে আসেন রাজপথে। রাজপথের মিছিলে কুলাউড়ার জননন্দিত নেতা মরহুম সংসদ সদস্য আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন। ৭০’র সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের একজন কর্মী হিসেবে স্বক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ শুনে যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহন করেন। বাল্যকালে পিতৃহারা সেদিনের এই টগবগে যুবক মৌলভীবাজার-৩ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য সৈয়দ মহসীন আলী, কুলাউড়ার প্রয়াত সংসদ সদস্য আব্দুল জব্বার, জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মুমিত আসুক সাহেবের সাথে ৪নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মেজর সি.আর দত্তের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধে যাবার সময় মা, স্ত্রী, কন্যা সহ পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার সময়টুকু পাননি। ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে অনেক সাথীকে হারিয়ে মাতৃভূমি শত্রুমুক্ত করেছেন। দেশ ও জাতির বিজয় অর্জিত হয়েছে। বিজয়ের ৪৩ বছর পরও তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি কান্না বিজড়িত কন্ঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা সফর আলী জানান,দেশ স্বাধীনের পরপরই সকল নেতার দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি একটি কাজ পাইয়ে দেওয়ার জন্য। তার ভাগ্যে কোন কাজ জুটেনি। শরীরের শক্তি থাকায় দেশ স্বাধীনের পর তিনি রিক্সা চালিয়ে পরিবারের সদস্যদের অন্নের সংস্থান করতেন। অসুস্থ মা চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন।এখন আর শরীরে শক্তি নেই, স্ত্রী, কন্যা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রায়ই অর্ধাহারে থাকতে হয়।মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্ট থেকে ২ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হয়। এই ভাতার টাকায় সংসার চলে না, নিজের কোন বাড়ি ভিটে নেই। শ্বশুড় বাড়ির একখন্ড ভূমিতে যাযাবরের মত তাকে দিনাতিপাত করতে হয়।বর্তমানে তিনি কুলাউড়া উপজেলার কাদিপুর ইউনিয়নের মনসুর গ্রামে বসবাস করছেন। প্রতিনিয়ত মানুষের করুণার পাত্র হয়ে তাকে হাত পাততে হয়। মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মানে সমাহিত করার চেয়ে তাঁর কাছে এ মুহুর্তে নিয়মিত দু’মুঠো অন্ন বড় জরুরী। জীবনের শেষ বয়সে অসুস্থ এই বীর মুক্তিযোদ্ধার ডান হাত টি পঁচে পড়ার উপক্রম। সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তাকে দেখা হয় অবহেলিত চোখে,ঔষুধ সরবরাহ করা হয় মাত্র ৩টাকার। তিনি জানান,বিজয়ের ৪৩ তম বছর চলতেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সফর আলীর আর্তি মাথা গুজার একটু স্থান, নিয়মিত দু’মুঠো ভাত খেয়ে জীবনের শেষ সময়ে মানুষের কাছে হাত না পেতে একটু শান্তিতে মৃত্যু। বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় গণতান্ত্রিক সরকার অধিষ্ঠিত। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার পরিজনদের পুনর্বাসনের জন্য অনেক উদ্যোগ নিয়েছেন। তাঁকে পুণর্বাসনের ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •