প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বির্পযস্ত ॥ শীতবস্ত্র কিনতে ফুটপাতে মানুষের ভিড় শ্রীমঙ্গলে ১০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস

December 24, 2013, এই সংবাদটি ৩৮৫ বার পঠিত

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে সোমবার প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকালে একটু সময় সূর্যের আলো দেখা গেলেও আর দেখা যায়নি। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যক্ষেক মো: হারুনুর রশীদ মুঠোফোনে জানান, ২৩ ডিসেম্বর সোমবার সারাদেশের মধ্যে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে ১০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা ৪৪টি চাবাগান ও কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ, শমশেরনগর, আদমপুর, মুন্সীবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কম দামে ভালো শীতবস্ত্র পাওয়া যায় এসব দোকানে। তাই নিম্ন আয়ের লোকজনতো বটেই অনেক বিত্তবানদের ভিড় দেখা যায় এসব ফুটপাতের দোকানে। পৌষের শুরু থেকেই কমলগঞ্জে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। ভোররাতে ঘন কুয়াশা ও হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। শীতবস্ত্রের অভাবে চা বাগান সহ নিু আয়ের মানুষজন পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। বেসরকারীভাবে দু’একটি সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও সরকারীভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়নি। শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.আশফাকুল হক চৌধুরী ও কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রচন্ডে শীতে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তির কথা নিশ্চিত করে মুঠোফোনে বলেন, সরকারীভাবে যত দ্রুত সম্ভব শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করা হবে।
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জে সোমবার প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সকালে একটু সময় সূর্যের আলো দেখা গেলেও আর দেখা যায়নি। শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যক্ষেক মো: হারুনুর রশীদ মুঠোফোনে জানান, ২৩ ডিসেম্বর সোমবার সারাদেশের মধ্যে সর্বনি¤œ তাপমাত্রা কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গলে ১০.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এদিকে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা ৪৪টি চাবাগান ও কমলগঞ্জ উপজেলার ভানুগাছ, শমশেরনগর, আদমপুর, মুন্সীবাজার সহ বিভিন্ন স্থানে ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে মানুষের ভিড় দেখা গেছে। কম দামে ভালো শীতবস্ত্র পাওয়া যায় এসব দোকানে। তাই নিম্ন আয়ের লোকজনতো বটেই অনেক বিত্তবানদের ভিড় দেখা যায় এসব ফুটপাতের দোকানে। পৌষের শুরু থেকেই কমলগঞ্জে শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে। ভোররাতে ঘন কুয়াশা ও হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ। শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন বৃদ্ধ ও শিশুরা। শীতবস্ত্রের অভাবে চা বাগান সহ নিু আয়ের মানুষজন পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। বেসরকারীভাবে দু’একটি সংগঠন শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও সরকারীভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়নি। শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.আশফাকুল হক চৌধুরী ও কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রচন্ডে শীতে নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তির কথা নিশ্চিত করে মুঠোফোনে বলেন, সরকারীভাবে যত দ্রুত সম্ভব শীতবস্ত্রের ব্যবস্থা করা হবে। শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •