এইচ ডি রুবেল॥ কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে রুমি বেগম (২০) নামক এক তরুণীর লাশ রেখে পালিয়ে যায় লাশের সঙ্গে থাকা দুই যুবক। রুমি হবিগঞ্জ পৌরসভার উমেদনগর গ্রামের রহিম মিয়ার মেয়ে। তারা দীর্ঘ দিন থেকে কুলাউড়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের পরীনগর এলাকায় মোঃ খলিলুর রহমানের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছে। ঘটনার পর থেকে রুমির বাসাটি তালাবদ্ধ রয়েছে। লাপাত্তা রয়েছেন তার মা-বাবাসহ স্বজনরা। পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারনা রুমিকে হত্যার সাথে পরিবারের লোকজন জড়িত রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৫ মে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে দুইজন যুবক তরুণীকে কোলে করে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসে। এসময় কর্তব্যরত ডাক্তার একজন আগুনে পুড়ে যাওয়া রোগীর চিকিৎসা করছিলেন। চিকিৎসক কিছু বুঝার আগেই ওই যুবকরা মেয়েটিকে হাসপাতালের বেডে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে চিকিৎসক মেয়েটিকে মৃত হিসেবে নিশ্চিত হয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ জাকির হোসেন জানান, অন্য রোগীকে চিকিৎসারত অবস্থায় মেয়েটিকে একটি বেডে রেখে কিছু বুঝার আগেই যুবকরা হাসপাতাল পালিয়ে যায়। হাসপাতালে আসার আগেই মেয়েটি মারা গেছে। পরে আমরা পুলিশকে অবহিত করেছি।
কুলাউড়া পৌরসভার স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর কায়সার আরিফ জানান, খবর পেয়ে আমি দ্রুত পৌরসভার পরীনগর ওয়ার্ডে রুমির পরিবারের ভাড়াটিয়া বাসায় গিয়ে তাদের ঘরটি তালাবদ্ধ দেখতে পেয়েছি। এর পর থেকে পরিবারের কোন স্বজনদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি রুমিকে হত্যার সাথে পরিবারের লোকজন জড়িত রয়েছেন।
কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম জানান, আমরা ধারণা করছি এই হত্যাকান্ডের সাথে পরিবারের লোকজন জড়িত রয়েছে। এখন পর্যন্ত লাশের কোন স্বজন আমাদের সাথে যোগাযোগ করেনি। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.