এইচ ডি রুবেল॥ কুলাউড়া পিডিবি’র গ্রাহক সেবার গুরুত্বপুর্ন পদে বিগত ৩ মাস যাবৎ প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবলের অভাবে অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় চা-বাগানসহ ৩০ হাজার গ্রাহকদের পবিত্র রমজান মাসে একদিকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অপরদিকে গ্রাহকদের কাছে কোটি কোটি টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায় না হওয়ায় সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। জানা যায় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কুলাউড়া বিক্রয় ও বিতরন বিভাগের অধীনে ৮জন উপ সহকারী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে হাসপাতাল ফিডার, উপজেলা ফিডার, ঘাগটিয়া ও নার্সারী ফিডার, কাদিপুর ফিডার এবং ব্রাহ্মনবাজার ফিডারসহ ৫টি ফিডারের মাধ্যমে ৩২টি চা-বাগানসহ ৩০ হাজার গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। অথচ উক্ত ৫টি ফিডারের মধ্যে একমাত্র উপজেলা ফিডারে ১জন উপ-সহকারী প্রকৌশলী দায়িত্বে থাকলেও অপর ৪ ফিডারের প্রকৌশলীর পদ শুন্য রয়েছে। ফলে প্রকৌশলীর অভাবে বিভিন্ন ফিডার প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকায় গ্রাহকদের সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এছাড়া গুরুত্বপুর্ন পদের মধ্যে কমার্শিয়াল অফিসারের পদ,উপ বিভাগীয় প্রকৌশলীর পদ,সহকারী প্রকৌশলীর ৪ পদের মধ্যে ২ পদ, সিএ ৩ পদের মধ্যে ১ পদ, এসবিএ ৪ পদের মধ্যে ২ পদ, লাইনম্যান ৮ পদের মধ্যে ৬ পদ, লাইন সাহায্যকারী ২৫ পদের মধ্যে ১৭ পদ, এমএলএসএস কাম গার্ড ১২ পদের মধ্যে ৭ পদ, কম্পিউটার অপারেটারের ২ পদ, গাড়ী চালকের ৩ পদের মধ্যে ২ পদসহ ঝাড়–দার ও সুইপারের পদ শুন্য থাকায় এবং এসব গুরুত্বপুর্ন শুন্য পদে লোক না দেয়ায় যে কোন মুহুর্তে কুলাউড়া পিডিবি অচল হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। কুলাউড়া পিডিবি’র বিরাজমান সমস্যা উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের নজরে থাকা সত্বেও সমাধানের ব্যবস্থা না করায় ভোগান্তির সম্মুখীন করে রাখা হাজার হাজার গ্রাহকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সৃষ্ট অচলাবস্থা দুরীকরনে ও গ্রাহক ভোগান্তির অবসানে জরুরী ভিত্তিতে শুন্যপদে লোক নিয়োগ করার জন্য গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছেন। এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলার তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খন্দকার কামরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান উক্ত বিষয় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ অবহিত রয়েছেন। তবে এসব পদে লোকের অভাব থাকায় শুন্য পদ পুরন করা সম্ভব হচ্ছে না।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.