ফলোআপ: চা পাতা পাচার মামলায় আটক লুহাইউনি বাগান ব্যবস্থাপক শফিকুল জেল হাজতে, ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন

September 4, 2013, এই সংবাদটি ২৮০ বার পঠিত

চা পাতা পাচার মামলায় আটক লুহাইউনি চা বাগান ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলামকে ঢাকা হামিম গ্রুপের হেড অফিস তেজগাঁও থেকে আটকের পর মঙ্গলবার সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ৫ দিনের পুলিশি রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে আদালতে। আজ বুধবার তার রিমান্ডের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এফবিসিআইএর সাবেক প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট শিল্পপতি একে আজাদের মালিকানাধীন চা বাগান কুলাউড়ার লোহাইউনি-হলিছড়া চা বাগানের ৫৩ লাখ টাকার চা পাতা আতœসাতের অভিযোগে বাগানের ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপককে আটক করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাদের দুইজনকে আটকের পর সহকারী ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান (২৯) কে সোমবার জেল হাজতে প্রেরণ করলেও ঘটনার চা পাতা পাচার চক্রের মূল হোতা লুহাইউনি চা বাগানের ব্যবস্থাপক ব্রাহ্মনবাড়িয়া সরাইল এলাকার মো: শফিকুল ইসলাম (৪১)কে মঙ্গলবার কোর্টে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই নাজমুল জানান, পাচারের মূল তথ্য উদঘাটন করতে ও জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আটক শফিকুলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে বিজ্ঞ আদালতে শফিকুলের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আজ বুধবার তার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ সুত্রে আরো জানা যায়, লোহাইউনি-হলিছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম (৪১) ও সহকারী ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান বাগানে যোগদান করে বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে প্রায় দেড় বছর থেকে হামিম গ্রুপ ওই বাগান ক্রয় করার পর একটি চক্র চোরাই চা পাতা প্রক্রিয়াজাত করে স্থানীয় ব্যবস্থাপনার যোগসাজশে এবং বাগানের বৃক্ষ নিধন সহ চা পাতা পাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। সম্প্রতি তাদের ৫৩ লাখ টাকার চা পাতা আতœসাতের ঘটনাটি মালিক কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে এবং এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপককে আটক করে। এছাড়াও শফিকুল ইতিপূর্বে রাজনগর চা-বাগানের শ্রমিকদের টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আতœসাতের অভিযোগে করেন বাগানের অইেশ শ্রমিকরা। এবং ব্যাপারে কুলাউড়া থানার ওসি মো: হাসানুজ্জামান জানান,্এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফ্তারে চেষ্টা চলছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশি রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।
চা পাতা পাচার মামলায় আটক লুহাইউনি চা বাগান ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলামকে ঢাকা হামিম গ্রুপের হেড অফিস তেজগাঁও থেকে আটকের পর মঙ্গলবার সকালে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ৫ দিনের পুলিশি রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে আদালতে। আজ বুধবার তার রিমান্ডের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এফবিসিআইএর সাবেক প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট শিল্পপতি একে আজাদের মালিকানাধীন চা বাগান কুলাউড়ার লোহাইউনি-হলিছড়া চা বাগানের ৫৩ লাখ টাকার চা পাতা আতœসাতের অভিযোগে বাগানের ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপককে আটক করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাদের দুইজনকে আটকের পর সহকারী ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান (২৯) কে সোমবার জেল হাজতে প্রেরণ করলেও ঘটনার চা পাতা পাচার চক্রের মূল হোতা লুহাইউনি চা বাগানের ব্যবস্থাপক ব্রাহ্মনবাড়িয়া সরাইল এলাকার মো: শফিকুল ইসলাম (৪১)কে মঙ্গলবার কোর্টে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই নাজমুল জানান, পাচারের মূল তথ্য উদঘাটন করতে ও জড়িত চক্রকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আটক শফিকুলকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে বিজ্ঞ আদালতে শফিকুলের ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আজ বুধবার তার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পুলিশ সুত্রে আরো জানা যায়, লোহাইউনি-হলিছড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম (৪১) ও সহকারী ব্যবস্থাপক মেহেদী হাসান বাগানে যোগদান করে বিভিন্ন অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে প্রায় দেড় বছর থেকে হামিম গ্রুপ ওই বাগান ক্রয় করার পর একটি চক্র চোরাই চা পাতা প্রক্রিয়াজাত করে স্থানীয় ব্যবস্থাপনার যোগসাজশে এবং বাগানের বৃক্ষ নিধন সহ চা পাতা পাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। সম্প্রতি তাদের ৫৩ লাখ টাকার চা পাতা আতœসাতের ঘটনাটি মালিক কর্তৃপক্ষ জানতে পেরে এবং এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপককে আটক করে। এছাড়াও শফিকুল ইতিপূর্বে রাজনগর চা-বাগানের শ্রমিকদের টাকা অনিয়মের মাধ্যমে আতœসাতের অভিযোগে করেন বাগানের অইেশ শ্রমিকরা। এবং ব্যাপারে কুলাউড়া থানার ওসি মো: হাসানুজ্জামান জানান,্এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফ্তারে চেষ্টা চলছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশি রিমান্ড চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •