বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ নিরাপত্তা জোরদার-জনমনে উৎকন্ঠা

December 3, 2013, এই সংবাদটি ৩৫৪ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে বিএসএফ ও বিজিবি অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে কড়া সতর্কতা অবলম্বন করছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। জানা যায়, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মধ্য ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসী অপরাধীরা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করতে পারে। তাই এই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ৪৪৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিএসএফ সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে কড়া নজরদারি শুরু করেছে। গতকাল ২ ডিসেম্বর সোমবার সীমান্তবাসীরা জানান, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বৈঠাংবাড়ী, রাঘনা, বজেন্দ্র নগর, রানীবাড়ী ও তারেকপুর সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ সদস্যের টহল দিতে তারা দেখেছেন। সীমান্তে সৈন্য বৃদ্ধি ও কড়া নজরদারিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরের জনসাধারনের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। বিজিবির (বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ) ৫২ ব্যটেলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সরদার মোহাম্মদ রেজাউল হক রেজা সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘এ নিয়ে জনসাধারণের উৎকন্ঠিত হওয়ার কারন নেই। সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণসহ চৌকিগুলোতে বিজিবির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে শান্তি রক্ষাসহ যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে’।
মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে বিএসএফ ও বিজিবি অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করে নিরাপত্তা জোরদারের মাধ্যমে কড়া সতর্কতা অবলম্বন করছে। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। জানা যায়, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মধ্য ডিসেম্বর থেকে সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের চিহ্নিত সন্ত্রাসী অপরাধীরা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করতে পারে। তাই এই অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ৪৪৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিএসএফ সৈন্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে কড়া নজরদারি শুরু করেছে। গতকাল ২ ডিসেম্বর সোমবার সীমান্তবাসীরা জানান, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বৈঠাংবাড়ী, রাঘনা, বজেন্দ্র নগর, রানীবাড়ী ও তারেকপুর সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ সদস্যের টহল দিতে তারা দেখেছেন। সীমান্তে সৈন্য বৃদ্ধি ও কড়া নজরদারিতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরের জনসাধারনের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। বিজিবির (বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ) ৫২ ব্যটেলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল সরদার মোহাম্মদ রেজাউল হক রেজা সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘এ নিয়ে জনসাধারণের উৎকন্ঠিত হওয়ার কারন নেই। সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণসহ চৌকিগুলোতে বিজিবির সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তে শান্তি রক্ষাসহ যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে’। এম. মছব্বির আলী॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •