রাজনগর চা বাগানে পুলিশ শ্রমিক সংঘর্ষে আহত ৪

December 2, 2013, এই সংবাদটি ৪৫৮ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের রাজনগর চা বাগানে লংলা ভ্যালীতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের আকস্মিক অভিযানের জের ধরে চা শ্রমিকও পুলিশ মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে। গত ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এ ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, রাজনগর থানার কনেসটেবল আব্দুল বারেক (৪৫), বাগান শ্রমিক রামগুরু লাল (৩০), বিপির উপাধ্যায় (৩২) ও সানি পান্ডে (২৩) আহত হন। তদেরকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর মোঃ মিজানুর রহমান রাজনগর থানার ফোর্স নিয়ে রাজনগর চা বাগানে কপিল দে উপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালান। এতে এ অভিযানে কোন মাদক দ্রব্য পাওয়া যায়নি বলে তারা ফিরে আসেন।পরে তল্লাশি’ বিষয়টি বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে শ্রমিকরা পাগলা ঘন্টা বাজানো শুরু করে। পরে উত্তেজিত চা শ্রমিক পুলিশের উপর হামলা চালালে উভয় পক্ষের চার জন আহত হয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান টিপু খান ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান খয়রুল মজিদ এর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। রাজনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান,পুলিশ ও চা শ্রমিকদের ভুল বোঝাবোঝির কারনে এ ঘটনাটি ঘটেছে। শ্রমিকরা ধর্মঘট করতে চাইলে আমি তাদেরকে বুঝিয়ে তা থেকে বিরত রেখেছি। রাজনগর কুলাউড়ার সহকারী পুলিশ সুপুর মো: আলমগীর হোসেন বাংলানিউজকে জানান এ ঘটনা থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
মৌলভীবাজারের রাজনগর চা বাগানে লংলা ভ্যালীতে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের আকস্মিক অভিযানের জের ধরে চা শ্রমিকও পুলিশ মধ্যে সংঘর্ষে ঘটনা ঘটে। গত ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় এ ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, রাজনগর থানার কনেসটেবল আব্দুল বারেক (৪৫), বাগান শ্রমিক রামগুরু লাল (৩০), বিপির উপাধ্যায় (৩২) ও সানি পান্ডে (২৩) আহত হন। তদেরকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর মোঃ মিজানুর রহমান রাজনগর থানার ফোর্স নিয়ে রাজনগর চা বাগানে কপিল দে উপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালান। এতে এ অভিযানে কোন মাদক দ্রব্য পাওয়া যায়নি বলে তারা ফিরে আসেন।পরে তল্লাশি’ বিষয়টি বাগানের শ্রমিকদের মধ্যে জানাজানি হয়ে গেলে শ্রমিকরা পাগলা ঘন্টা বাজানো শুরু করে। পরে উত্তেজিত চা শ্রমিক পুলিশের উপর হামলা চালালে উভয় পক্ষের চার জন আহত হয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান টিপু খান ও সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান খয়রুল মজিদ এর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। রাজনগর উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলানিউজকে জানান,পুলিশ ও চা শ্রমিকদের ভুল বোঝাবোঝির কারনে এ ঘটনাটি ঘটেছে। শ্রমিকরা ধর্মঘট করতে চাইলে আমি তাদেরকে বুঝিয়ে তা থেকে বিরত রেখেছি। রাজনগর কুলাউড়ার সহকারী পুলিশ সুপুর মো: আলমগীর হোসেন বাংলানিউজকে জানান এ ঘটনা থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। মাহবুবুর রহমান রাহেল॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •