হাকালুকি হাওর থেকে প্রতিদিন দুই মেট্টিক টন পোনা মাছ ঢাকায় যাচ্ছে

July 2, 2013, এই সংবাদটি ৩২৫ বার পঠিত

দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি থেকে প্রতিদিন অন্তত দুই মেট্টিক টন পোনা মাছ ঢাকার বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরায় পাঠানো হচ্ছে। যদিও পোনা মাছ ধরা ও বিক্রয় মৎস্য আইনে সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। কিন্তু আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবি শাসক দলের ছত্রছায়ায় নিষিদ্ধ নেট জাল ও কাপড়ি জাল দিয়ে পোনা মাছ ধরে বিক্রয় করছে। ২৮ জুন শুক্রবার সকালে ঢাকায় পাচারকালে উপজেলা প্রশাসন ১৬ খাঁচা অবৈধ মাছের পোনা আটক করেছে। জানা গেছে, মৎস্য ভান্ডার খ্যাত হাকালুকি হাওরের দুই শতাধিক বিলে বৈশাখ-জৈষ্ট মাসে রুই, কাতলা, বাউস, বোয়াল, শোল, গজার, গনিয়া, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ডিম ছাড়ে। নয় ইঞ্চির নিচে এ জাতীয় পোনা মাছ ধরা ও বিক্রয় সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। কিন্তু হাওর পারের অসাধু মাছ শিকারী চক্র হাজার হাজার মিটার লম্বা অবৈধ নেট জাল ও কাপড়ি জাল দিয়ে মাছের পোনা আহরন করে স্থানীয় বাজারে ও ঢাকায় পাঠিয়ে বিক্রয় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছূক হাওর পারের বাসিন্দারা জানান ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় অসাধু সিন্ডিকেট হাওরের ভাসান পানি থেকে পোনা মাছ ধরে বিক্রয় করছে। হাওর পারের কনুনগো বাজার, খোঠাউরা, জায়ফরনগরসহ অন্তত পাঁচটি স্পটে সকালে পোনা মাছ বিক্রয়ের হাট বসে। এসব হাটে প্রতিদিন কমপক্ষে দুই মেট্টিক টন মাছের পোনা বিক্রয় হয়। এদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ আমিনুর রহমান ও মৎস্য কর্মকর্তা আজিবুর রহমান অভিযান চালিয়ে পিকআপ যোগে ঢাকায় পাচারকালে পৌর শহরের ডাক বাংলোর সম্মুখ থেকে ১৬ খাঁচায় আনুমানিক সাড়ে তিনশ’ কেজি পোনা মাছ আটক করেন। এসময় পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধারকৃত পোনা মাছগুলো উপজেলার পাঁচটি দরিদ্র আবাসিক মাদ্রাসায় দান করা হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজিবুর রহমান জানান, বৈশাখ থেকে শ্রাবন মাস পর্যন্ত হাওর থেকে কোন ধরনের পোনা মাছ আহরন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ। পোনা মাছ নিধন রোধে প্রশাসন অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে গত ২৫ জুন মঙ্গলবার রাত ১০টায় জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জুড়ী নাইট চৌমুহনীতে ঢাকাগামী রুপসী বাংলা বাস (নং-ঢাকা মেট্টো-ব ১১-১১১১) থেকে ১৬০ কেজি ওজনের বিভিন্ন প্রজাতির নিষিদ্ধ মাছের পোনা জব্দ করেন। প্রসঙ্গত, রাত ১০টায় রুপসী বাংলায় করে পোনা বহনের সংবাদ পেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম তাৎক্ষনিক ভাবে নিজেই গাড়ী চালিয়ে নাইট চৌমুহনীতে থেকে পোনাগুলো জব্দ করেন। এ ছাড়া গত ২৮ মে মঙ্গলবার জুড়ী উপজেলা মৎস্য বিভাগ জুড়ীর ভুয়াই বাজারে অভিযান চালিয়ে ৪০০ কেজি পোনা মাছ জব্দ করে।
দেশের সর্ববৃহৎ হাওর হাকালুকি থেকে প্রতিদিন অন্তত দুই মেট্টিক টন পোনা মাছ ঢাকার বিভিন্ন হোটেল রেস্তোরায় পাঠানো হচ্ছে। যদিও পোনা মাছ ধরা ও বিক্রয় মৎস্য আইনে সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। কিন্তু আইনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু মৎস্যজীবি শাসক দলের ছত্রছায়ায় নিষিদ্ধ নেট জাল ও কাপড়ি জাল দিয়ে পোনা মাছ ধরে বিক্রয় করছে। ২৮ জুন শুক্রবার সকালে ঢাকায় পাচারকালে উপজেলা প্রশাসন ১৬ খাঁচা অবৈধ মাছের পোনা আটক করেছে। জানা গেছে, মৎস্য ভান্ডার খ্যাত হাকালুকি হাওরের দুই শতাধিক বিলে বৈশাখ-জৈষ্ট মাসে রুই, কাতলা, বাউস, বোয়াল, শোল, গজার, গনিয়া, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ডিম ছাড়ে। নয় ইঞ্চির নিচে এ জাতীয় পোনা মাছ ধরা ও বিক্রয় সম্পুর্ন নিষিদ্ধ। কিন্তু হাওর পারের অসাধু মাছ শিকারী চক্র হাজার হাজার মিটার লম্বা অবৈধ নেট জাল ও কাপড়ি জাল দিয়ে মাছের পোনা আহরন করে স্থানীয় বাজারে ও ঢাকায় পাঠিয়ে বিক্রয় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছূক হাওর পারের বাসিন্দারা জানান ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় অসাধু সিন্ডিকেট হাওরের ভাসান পানি থেকে পোনা মাছ ধরে বিক্রয় করছে। হাওর পারের কনুনগো বাজার, খোঠাউরা, জায়ফরনগরসহ অন্তত পাঁচটি স্পটে সকালে পোনা মাছ বিক্রয়ের হাট বসে। এসব হাটে প্রতিদিন কমপক্ষে দুই মেট্টিক টন মাছের পোনা বিক্রয় হয়। এদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ আমিনুর রহমান ও মৎস্য কর্মকর্তা আজিবুর রহমান অভিযান চালিয়ে পিকআপ যোগে ঢাকায় পাচারকালে পৌর শহরের ডাক বাংলোর সম্মুখ থেকে ১৬ খাঁচায় আনুমানিক সাড়ে তিনশ’ কেজি পোনা মাছ আটক করেন। এসময় পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। পরে উদ্ধারকৃত পোনা মাছগুলো উপজেলার পাঁচটি দরিদ্র আবাসিক মাদ্রাসায় দান করা হয়। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আজিবুর রহমান জানান, বৈশাখ থেকে শ্রাবন মাস পর্যন্ত হাওর থেকে কোন ধরনের পোনা মাছ আহরন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ। পোনা মাছ নিধন রোধে প্রশাসন অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে গত ২৫ জুন মঙ্গলবার রাত ১০টায় জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জুড়ী নাইট চৌমুহনীতে ঢাকাগামী রুপসী বাংলা বাস (নং-ঢাকা মেট্টো-ব ১১-১১১১) থেকে ১৬০ কেজি ওজনের বিভিন্ন প্রজাতির নিষিদ্ধ মাছের পোনা জব্দ করেন। প্রসঙ্গত, রাত ১০টায় রুপসী বাংলায় করে পোনা বহনের সংবাদ পেয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম তাৎক্ষনিক ভাবে নিজেই গাড়ী চালিয়ে নাইট চৌমুহনীতে থেকে পোনাগুলো জব্দ করেন। এ ছাড়া গত ২৮ মে মঙ্গলবার জুড়ী উপজেলা মৎস্য বিভাগ জুড়ীর ভুয়াই বাজারে অভিযান চালিয়ে ৪০০ কেজি পোনা মাছ জব্দ করে। এম. মছব্বির আলী :

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •