কমলগঞ্জে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখানার সন্ধান ॥ নারীসদস্যসহ গ্রেফতার ৩

September 15, 2013, এই সংবাদটি ৩৫৬ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর বস্তি থেকে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে রীনি বেগমের বাড়ীতে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এ সময় প্রায় দেড়লাখ টাকার মিনি কারখানার সরঞ্জাম, চা পাতাসহ ৩ জনকে পুলিশ আটক করেছে। অবৈধ চা কারখানা ও সংলগ্ন গোদাম থেকে প্রচুর পরিমানে তৈরী চা পাতা জব্দ জব্দ করা হয়। কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) চম্বক দাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর বস্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুর ২ টায় এক অভিযান চালিয়ে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখানার সন্ধান পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখনার ব্যবসায়ী একই ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের স্ত্রী রীনি বেগম (২৭), জয়নাল আহমদের স্ত্রী ছমরুন নেছা (২৮) ও এরশাদ মিয়ার ছেলে তাহের মিয়া (৩০)কে কারখানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় চা পাতাসহ প্রায় দেড়লাখ টাকার মিনি কারখানার সরঞ্জাম পুলিশ জব্দ করে। কমলগঞ্জ থানার ওসি নীহার রঞ্জন নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত নারীসদস্য রীনি বেগম সহ অন্যারা দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ ভাবে মিনি চাপাতা কারখানা তাদের বাড়ীতে স্থাপন করে বিভিন্ন বাগানের চোরাই কাঁচাপাতা কিনে তা মেশিনে পরিজাত করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল শনিবার মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। কমলগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে কমলগঞ্জের বিভিন্ন চা বাগান থেকে চোরচক্র রাতের আঁধারে কাচা পাতা চুরি করছে। আর এসব চোরাই কাঁচা চা পাতা দিয়ে চা প্রস্তুতের জন্য অবৈধ চা কারখানাও গড়ে উঠে। এমনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় কমলগঞ্জ থানার ওসি নিহার রঞ্জন নাথ, এসআই চম্পক দাম ও এসআই নূর মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর বস্তি থেকে নারীসহ তিন জনকে আটক করে। আটককৃতদের কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আলীনগর বস্তিতে চা পাতা প্রস্তুতের দু’টি অবৈধ কারখানার তথ্য জানা যায়। শুক্রবার অভিযানকালে এ দু’টি পাকা করা উঠানে প্রচুর পরিমাণে চা পাতা ছিল। আটক রিনি বেগমের আলিশ্বান পাকা বাড়ির কয়েকটি রোম থেকে কমপক্ষে ৫০০ কেজি চা পাতা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে চা পাতা প্রস্তুতে ব্যবহৃত বড় একটি কড়াই, বেশ কয়েকটি চালনী, ঢালা জব্দ করা হয়। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক গ্রামবাসীরা জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এ দু’টি অবৈধ কারখানায় চোরাই চা পাতা দিয়ে চা পাতা উৎপাদন করা হচ্ছিল। আগে ঢেকিতে ছেটে চা পাতা প্রস্তুত করা হলেও এখন রাইস ও আটার মিলে শুকনো চা পাতা গুড়া করা হয়। বিষয়টি পুলিশের একটি মহলের জানা থাকলেও তা প্রতিরোধে কোন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায় মৌলভীবাজারের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক কর্মকর্তা এক সপ্তাহ আগে আলীনগর বস্তিতে অবৈধ চা কারখানায় এসে আর্থিক সুবিধা গ্রহন করে চলে গেছেন। বিষয়টি কমলগঞ্জ থানার পুলিশকে ব্যতীত করায় বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার দুপুরে আলীনগর বস্তিতে দুই দফা অভিযান চালিয়ে অবৈধ চা কারখানার সন্ধান বের করে সরঞ্জামসহ এ কারখানায় উৎপাদিত প্রচুর পরিমাণে চা পাতা জব্দ করা হয়। উল্লেখ্য চা বাগান থেকে কাঁচা চা পাতা চুরি করে ট্রাকযোগে পাচারকালে গত ৩১ আগষ্ট ভোর ৫ টায় এ এসপি (কুলাউড়া সার্কেল) আলমগীর হোসেন ট্রাকসহ শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্যসহ ২জনকে আটক করেছিলেন। কমলগঞ্জ থানার ওসি আরও বলেন, এ অভিযানে দু’টি অবৈধ চা কারাখানার সন্ধান লাভ করে তা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ওসি জানান। এ ঘটনায় কোন চা বাগান নিজেরা মামলা না করলেও পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর বস্তি থেকে কমলগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে রীনি বেগমের বাড়ীতে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। এ সময় প্রায় দেড়লাখ টাকার মিনি কারখানার সরঞ্জাম, চা পাতাসহ ৩ জনকে পুলিশ আটক করেছে। অবৈধ চা কারখানা ও সংলগ্ন গোদাম থেকে প্রচুর পরিমানে তৈরী চা পাতা জব্দ জব্দ করা হয়। কমলগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) চম্বক দাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর বস্তিতে ১৩ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দুপুর ২ টায় এক অভিযান চালিয়ে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখানার সন্ধান পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অবৈধ মিনি চা-পাতা কারখনার ব্যবসায়ী একই ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামের মৃত মঈন উদ্দিনের স্ত্রী রীনি বেগম (২৭), জয়নাল আহমদের স্ত্রী ছমরুন নেছা (২৮) ও এরশাদ মিয়ার ছেলে তাহের মিয়া (৩০)কে কারখানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এ সময় চা পাতাসহ প্রায় দেড়লাখ টাকার মিনি কারখানার সরঞ্জাম পুলিশ জব্দ করে। কমলগঞ্জ থানার ওসি নীহার রঞ্জন নাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত নারীসদস্য রীনি বেগম সহ অন্যারা দীর্ঘ দিন ধরে অবৈধ ভাবে মিনি চাপাতা কারখানা তাদের বাড়ীতে স্থাপন করে বিভিন্ন বাগানের চোরাই কাঁচাপাতা কিনে তা মেশিনে পরিজাত করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল শনিবার মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরন করা হয়েছে। কমলগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে কমলগঞ্জের বিভিন্ন চা বাগান থেকে চোরচক্র রাতের আঁধারে কাচা পাতা চুরি করছে। আর এসব চোরাই কাঁচা চা পাতা দিয়ে চা প্রস্তুতের জন্য অবৈধ চা কারখানাও গড়ে উঠে। এমনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় কমলগঞ্জ থানার ওসি নিহার রঞ্জন নাথ, এসআই চম্পক দাম ও এসআই নূর মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আলীনগর ইউনিয়নের আলীনগর বস্তি থেকে নারীসহ তিন জনকে আটক করে। আটককৃতদের কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে আলীনগর বস্তিতে চা পাতা প্রস্তুতের দু’টি অবৈধ কারখানার তথ্য জানা যায়। শুক্রবার অভিযানকালে এ দু’টি পাকা করা উঠানে প্রচুর পরিমাণে চা পাতা ছিল। আটক রিনি বেগমের আলিশ্বান পাকা বাড়ির কয়েকটি রোম থেকে কমপক্ষে ৫০০ কেজি চা পাতা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া অবৈধভাবে চা পাতা প্রস্তুতে ব্যবহৃত বড় একটি কড়াই, বেশ কয়েকটি চালনী, ঢালা জব্দ করা হয়। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক গ্রামবাসীরা জানান, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এ দু’টি অবৈধ কারখানায় চোরাই চা পাতা দিয়ে চা পাতা উৎপাদন করা হচ্ছিল। আগে ঢেকিতে ছেটে চা পাতা প্রস্তুত করা হলেও এখন রাইস ও আটার মিলে শুকনো চা পাতা গুড়া করা হয়। বিষয়টি পুলিশের একটি মহলের জানা থাকলেও তা প্রতিরোধে কোন উদ্যোগ গ্রহন করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায় মৌলভীবাজারের গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের এক কর্মকর্তা এক সপ্তাহ আগে আলীনগর বস্তিতে অবৈধ চা কারখানায় এসে আর্থিক সুবিধা গ্রহন করে চলে গেছেন। বিষয়টি কমলগঞ্জ থানার পুলিশকে ব্যতীত করায় বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার দুপুরে আলীনগর বস্তিতে দুই দফা অভিযান চালিয়ে অবৈধ চা কারখানার সন্ধান বের করে সরঞ্জামসহ এ কারখানায় উৎপাদিত প্রচুর পরিমাণে চা পাতা জব্দ করা হয়। উল্লেখ্য চা বাগান থেকে কাঁচা চা পাতা চুরি করে ট্রাকযোগে পাচারকালে গত ৩১ আগষ্ট ভোর ৫ টায় এ এসপি (কুলাউড়া সার্কেল) আলমগীর হোসেন ট্রাকসহ শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের একজন সদস্যসহ ২জনকে আটক করেছিলেন। কমলগঞ্জ থানার ওসি আরও বলেন, এ অভিযানে দু’টি অবৈধ চা কারাখানার সন্ধান লাভ করে তা গুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ওসি জানান। এ ঘটনায় কোন চা বাগান নিজেরা মামলা না করলেও পুলিশ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবে। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •