বড়লেখায় সরকারী রাস্তা দখল করে পাকা তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা

September 25, 2013, এই সংবাদটি ৩৪৮ বার পঠিত

বড়লেখা উপজেলার তিন গ্রামের জনসাধারনের চলাচলের একটি সরকারী রাস্তা সংকুচনের উদ্দেশ্যে পাকা তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা চলছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে দেড় শতাধিক এলাকাবাসী অবৈধভাবে তোরণ নির্মাণকারী দু’ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ ও এলাবাসী সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের তালুকদার পাড়া-টুকা-মহারানী সরকারী রাস্তাটি তিন গ্রামের চলাচলের একমাত্র রাস্তা। এ রাস্তাটি উত্তর পুর্বদিকে সোনাই নদীর ডাইক হয়ে চান্দগ্রাম বাজারে সিএন্ডবি সড়কের সাথে এবং দক্ষিণ দিকে দাসেরবাজার-ফকিরের বাজার রাস্তার সাথে সংযুক্ত। তিন গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। জনসাধারনের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য গুলুয়া গ্রামের দিলীপ চন্দ্র দাস ও রূপক চন্দ্র দাস গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাস্তার অগ্রভাগে সুনামপুর ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তা দখল করে পাকা তোরণ নির্মাণের কাজ শুরু করেন। রাস্তা সংকুচিত করার হীন স্বার্থে অবৈধভাবে রাস্তার উপর তোরণ নির্মাণের বিষয়টি বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন নির্মিাণ কাজ বন্ধে আপত্তি জানালে প্রথমে তারা কাজ বন্ধ না করলেও পরে ইউপি চেয়ারম্যানের আপত্তিতে কাজ বন্ধ করেন। কিন্তু দিলীপ চন্দ্র দাস ও রূপক চন্দ্র দাস যে কোন মূল্যে তোরণ নির্মানের ঘোষনা দিলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। গত রোববার রাতেও এলাকাবাসী বৈঠক করে তোরণ নির্মাণ প্রতিরোধ করার ঐক্যমত হন। ওয়ার্ড মেম্বার রুহুল আমিন বাহার জানান, হীন উদ্দেশ্যে রাস্তার উপর তারা পাকা তোরণ নির্মানের উদ্যোগ নেন। এটি নির্মিত হলে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়বে। একসময় তারা গেইটে তালা লাগিয়ে জনসাধারনের চলাচল বন্ধ করে দিবে। তখন তিন গ্রামের সহজ্রাধিক মানুষকে দেড় কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে চরম দুর্ভোগ পোয়াতে হবে। বিষয়টি বুঝতে পেরেই এলাকাবাসী তোরণ নির্মানে বাঁধা দিচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে জানান সরকারী কোন রাস্তার উপর ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাকা স্থাপনা নির্মানের নিয়ম নেই। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বড়লেখা উপজেলার তিন গ্রামের জনসাধারনের চলাচলের একটি সরকারী রাস্তা সংকুচনের উদ্দেশ্যে পাকা তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা চলছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। এ ব্যাপারে দেড় শতাধিক এলাকাবাসী অবৈধভাবে তোরণ নির্মাণকারী দু’ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবরে অভিযোগ করেছেন। লিখিত অভিযোগ ও এলাবাসী সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের তালুকদার পাড়া-টুকা-মহারানী সরকারী রাস্তাটি তিন গ্রামের চলাচলের একমাত্র রাস্তা। এ রাস্তাটি উত্তর পুর্বদিকে সোনাই নদীর ডাইক হয়ে চান্দগ্রাম বাজারে সিএন্ডবি সড়কের সাথে এবং দক্ষিণ দিকে দাসেরবাজার-ফকিরের বাজার রাস্তার সাথে সংযুক্ত। তিন গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। জনসাধারনের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির জন্য গুলুয়া গ্রামের দিলীপ চন্দ্র দাস ও রূপক চন্দ্র দাস গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাস্তার অগ্রভাগে সুনামপুর ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তা দখল করে পাকা তোরণ নির্মাণের কাজ শুরু করেন। রাস্তা সংকুচিত করার হীন স্বার্থে অবৈধভাবে রাস্তার উপর তোরণ নির্মাণের বিষয়টি বুঝতে পেরে এলাকার লোকজন নির্মিাণ কাজ বন্ধে আপত্তি জানালে প্রথমে তারা কাজ বন্ধ না করলেও পরে ইউপি চেয়ারম্যানের আপত্তিতে কাজ বন্ধ করেন। কিন্তু দিলীপ চন্দ্র দাস ও রূপক চন্দ্র দাস যে কোন মূল্যে তোরণ নির্মানের ঘোষনা দিলে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। গত রোববার রাতেও এলাকাবাসী বৈঠক করে তোরণ নির্মাণ প্রতিরোধ করার ঐক্যমত হন। ওয়ার্ড মেম্বার রুহুল আমিন বাহার জানান, হীন উদ্দেশ্যে রাস্তার উপর তারা পাকা তোরণ নির্মানের উদ্যোগ নেন। এটি নির্মিত হলে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়বে। একসময় তারা গেইটে তালা লাগিয়ে জনসাধারনের চলাচল বন্ধ করে দিবে। তখন তিন গ্রামের সহজ্রাধিক মানুষকে দেড় কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে চরম দুর্ভোগ পোয়াতে হবে। বিষয়টি বুঝতে পেরেই এলাকাবাসী তোরণ নির্মানে বাঁধা দিচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে জানান সরকারী কোন রাস্তার উপর ব্যক্তিগত উদ্যোগে পাকা স্থাপনা নির্মানের নিয়ম নেই। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বড়লেখা প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •