মৌলভীবাজারে জমে উঠেছে কুরবানীর পশুর হাট

October 13, 2013, এই সংবাদটি ২০৯ বার পঠিত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। ১২ অক্টোবর শনিবার থেকে মৌলভীবাজার এম সাইফুর রহমান ষ্টেডিয়াম এলাকার মাঠে পশুর হাট বসে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দেশী-বিদেশী গরু, ছাগল, ভেড়াসহ পশুর সংখ্যা বেশি। ক্রেতা মোস্তফাপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আজাদুর রহমান আজাদ জানান, জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে প্রচুর পরিমান পশু ঢুকে পড়ায় গতবারের তুলনায় এ বছর গরুর দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। সে তুলনায় হাটে ক্রেতা নেই। পশু ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, পশুর আমদানী বেশি হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছেনা। যশোর থেকে ৪০টি গরু নিয়ে এসেছি। আজ দুদিন হয়ে গেছে একটি গরু বিক্রি করতে পাছেননা। তিনি আরো জানান, কোরবানীকারীদের ৮৫ ভাগ ব্যক্তিই ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে কোরবানীর গরু কিনতে চান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, সোমবার-মঙ্গলবার বাজারে বিক্রি বাড়বে। মৌলভীবাজারের পৌরসভার ইজারাদার তোফায়েল আহমদ জানান, সর্বোচ্চ ৮ লক্ষ টাকা মূল্যের গরু বিক্রেতারা মৌলভীবাজার পৌরসভা বাজারে হাক উঠেছে। এদিকে জেলার ব্রাম্মনবাজার, মুন্সিবাজার, চৌধুরীবাজার, রবিরবাজার, দিঘীর পার বাজার, আদমপুর বাজার, মাধবপুর বাজার, ফুলতলা বাজার, জুড়ী বাজার, বড়লেখা বাজার, শাহাবাজপুর বাজার কুলাউড়া পৌরসভা বাজার, শেরপুরবাজার, শ্রীমঙ্গলবাজারসহ গরুর বাজার জমে উঠেছে।এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটের পাশাপাশি কাপড়ের দোকান, মসলার দোকান ও কামাড়ের দোকান জমজমাট হয়ে উঠেছে। ঈদ ও পূজা উপলক্ষে বাজারের বিপনী বিতানগুলোকে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। বাজারের প্রতিটি বিপনী বিতান ও ফুটপাতের কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। সেই সাথে কুরবানীর পশু জবাইয়ের জন্য দা, ছুরি ইত্যাদি কিনতে ও মেরামত করাতে কামাড়দের দোকানে এবং মসলা কিনতে মসলার দোকানে ক্রেতারের ভীড় লক্ষনীয়। মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো তোফায়েল আহমদ জানান, জেলার বড় বড় গরুর হাট-বাজার পুলিশে পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে জাল টাকা সনাক্ত করনের মেশিন প্রদান করা হয়েছে পাশাপাশি বাংলদেশ ব্যাংকের সহযোগীতায় জেলা প্রতিটি ব্যাংক আরো কয়েকটি মেশিন বসানো হয়েছে। তিনি আরো জানান যেহেতু ঈদ উপলক্ষে গরুর বাজারে সবচেয়ে বেশী নগদ টাকা লেনদেন হয় তাই সেখানেই পুলিশি টহল জোড়দার করা হয়েছে। এছাড়াও ভ্র্যম্যমান টিম রয়েছে। বিভিন্ন গরুর হাট ও বাজারে সাদা পোষাকে পুলিশ ও র‌্যাব টহল রয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন স্থানে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় ততই বাড়ছে। ১২ অক্টোবর শনিবার থেকে মৌলভীবাজার এম সাইফুর রহমান ষ্টেডিয়াম এলাকার মাঠে পশুর হাট বসে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দেশী-বিদেশী গরু, ছাগল, ভেড়াসহ পশুর সংখ্যা বেশি। ক্রেতা মোস্তফাপুর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার আজাদুর রহমান আজাদ জানান, জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে প্রচুর পরিমান পশু ঢুকে পড়ায় গতবারের তুলনায় এ বছর গরুর দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। সে তুলনায় হাটে ক্রেতা নেই। পশু ব্যবসায়ী আকবর আলী জানান, পশুর আমদানী বেশি হলেও প্রত্যাশা অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছেনা। যশোর থেকে ৪০টি গরু নিয়ে এসেছি। আজ দুদিন হয়ে গেছে একটি গরু বিক্রি করতে পাছেননা। তিনি আরো জানান, কোরবানীকারীদের ৮৫ ভাগ ব্যক্তিই ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মধ্যে কোরবানীর গরু কিনতে চান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, সোমবার-মঙ্গলবার বাজারে বিক্রি বাড়বে। মৌলভীবাজারের পৌরসভার ইজারাদার তোফায়েল আহমদ জানান, সর্বোচ্চ ৮ লক্ষ টাকা মূল্যের গরু বিক্রেতারা মৌলভীবাজার পৌরসভা বাজারে হাক উঠেছে। এদিকে জেলার ব্রাম্মনবাজার, মুন্সিবাজার, চৌধুরীবাজার, রবিরবাজার, দিঘীর পার বাজার, আদমপুর বাজার, মাধবপুর বাজার, ফুলতলা বাজার, জুড়ী বাজার, বড়লেখা বাজার, শাহাবাজপুর বাজার কুলাউড়া পৌরসভা বাজার, শেরপুরবাজার, শ্রীমঙ্গলবাজারসহ গরুর বাজার জমে উঠেছে।এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে পশুর হাটের পাশাপাশি কাপড়ের দোকান, মসলার দোকান ও কামাড়ের দোকান জমজমাট হয়ে উঠেছে। ঈদ ও পূজা উপলক্ষে বাজারের বিপনী বিতানগুলোকে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। বাজারের প্রতিটি বিপনী বিতান ও ফুটপাতের কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। সেই সাথে কুরবানীর পশু জবাইয়ের জন্য দা, ছুরি ইত্যাদি কিনতে ও মেরামত করাতে কামাড়দের দোকানে এবং মসলা কিনতে মসলার দোকানে ক্রেতারের ভীড় লক্ষনীয়। মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো তোফায়েল আহমদ জানান, জেলার বড় বড় গরুর হাট-বাজার পুলিশে পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে জাল টাকা সনাক্ত করনের মেশিন প্রদান করা হয়েছে পাশাপাশি বাংলদেশ ব্যাংকের সহযোগীতায় জেলা প্রতিটি ব্যাংক আরো কয়েকটি মেশিন বসানো হয়েছে। তিনি আরো জানান যেহেতু ঈদ উপলক্ষে গরুর বাজারে সবচেয়ে বেশী নগদ টাকা লেনদেন হয় তাই সেখানেই পুলিশি টহল জোড়দার করা হয়েছে। এছাড়াও ভ্র্যম্যমান টিম রয়েছে। বিভিন্ন গরুর হাট ও বাজারে সাদা পোষাকে পুলিশ ও র‌্যাব টহল রয়েছে। মাহবুবুর রহমান রাহেল॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •