কুলাউড়ায় গ্রীল কাটা চোর চক্রের ২ সদস্য আটক

December 24, 2013, এই সংবাদটি ২৬৮ বার পঠিত

কুলাউড়া পৌর শহরের মাগুরায় একটি বাসায় চুরির সময় এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগিতায় গ্রীল কাটা চোর চক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় তাদেরকে আটক করা হয়। আটকৃতরা হলো সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার মধুরায় গ্রামের দারা মিয়ার ছেলে বাধন মিয়া (১৭) ও হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার রাজনগর গ্রামের মৃত অনু মিয়ার ছেলে মোঃ সাগর (১৪)। এদিকে গ্রীল কাটা চোর চক্রের সদস্য সাগর রাতে থানা হাজতের বেন্টিলেটর ভেংগে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, দৈনিক প্রথম আলোর সাবেক কুলাউড়া প্রতিনিধি আমেরিকা প্রবাসী মঈনুর রহমান সুয়েব এর কুলাউড়া শহরের মাগুরাস্থ বাসায় সোমবার বিকেলে কেউ না থাকায় এই সুযোগে গ্রীল কাটা চোর চক্রের সদস্যরা কেচি গেইট ভাঙ্গার চেষ্টা করার সময় প্রতিবেশি বাসার লোকজন দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসলে চোরেরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চোর চক্রের একজনকে এলাকাবাসী আটক করে পরে তার দেওয়া তথ্য মতে অপর জনকে শহর থেকে পুলিশ আটক করে। এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানায় মামলার নং-১৫ তাং-২৩-১২-২০১৩।
কুলাউড়া পৌর শহরের মাগুরায় একটি বাসায় চুরির সময় এলাকাবাসী ও পুলিশের সহযোগিতায় গ্রীল কাটা চোর চক্রের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় তাদেরকে আটক করা হয়। আটকৃতরা হলো সিলেট জেলার বালাগঞ্জ থানার মধুরায় গ্রামের দারা মিয়ার ছেলে বাধন মিয়া (১৭) ও হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানার রাজনগর গ্রামের মৃত অনু মিয়ার ছেলে মোঃ সাগর (১৪)। এদিকে গ্রীল কাটা চোর চক্রের সদস্য সাগর রাতে থানা হাজতের বেন্টিলেটর ভেংগে পালানোর চেষ্টা করে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, দৈনিক প্রথম আলোর সাবেক কুলাউড়া প্রতিনিধি আমেরিকা প্রবাসী মঈনুর রহমান সুয়েব এর কুলাউড়া শহরের মাগুরাস্থ বাসায় সোমবার বিকেলে কেউ না থাকায় এই সুযোগে গ্রীল কাটা চোর চক্রের সদস্যরা কেচি গেইট ভাঙ্গার চেষ্টা করার সময় প্রতিবেশি বাসার লোকজন দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসলে চোরেরা পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চোর চক্রের একজনকে এলাকাবাসী আটক করে পরে তার দেওয়া তথ্য মতে অপর জনকে শহর থেকে পুলিশ আটক করে। এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানায় মামলার নং-১৫ তাং-২৩-১২-২০১৩। কুলাউড়া অফিস॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •