নন্দরানী চা বাগান হত্যা মামলাটি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহারে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ। জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আবেদন

October 23, 2013, এই সংবাদটি ১৬৮ বার পঠিত

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নন্দরানী চা বাগান দখলে চালানো হামলায় দুই ব্যক্তির মৃত্যূ, অগ্নি সংযোগ ও লুটপাটের মত ঘটনার বহুল আলোচিত এ মামলাটি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটিকে হয়রানী মূলক ও মিথ্যে দাবী করে তা প্রত্যাহারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে কমলগঞ্জে প্রকাশ্য জনসভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দাবী জানান। ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে কমলগঞ্জ থানার নবনির্মিত থানা ভবন উদ্বোধন শেষে এ হত্যা মামলার তালিকাভুক্ত দুই আসামীর বক্তব্যের পর চিফ হুইপ নিজে বক্তব্য দিয়ে মামলাটি প্রত্যাহারে দাবী জানান।

২০১২ সনের ১০ ফেব্রুয়ারী হামলাকারীরা চা বাগান বাংলোয় অগ্নি সংযোগ, লুটপাট, গুলি করে ও কূপিয়ে কাজী ফখরুল ইসলাম নামে চা বাগান কোম্পানীর এক কর্মকর্তা ও জাহিদ নামে আরও এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। এ হামলায় কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ ছাড়াও প্রায় ৬ শতাধিক লোক সশস্ত্রভাবে অংশ গ্রহন করেছিল। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারী জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এ সম্পর্কে সচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়েছিল। ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩-তে মামলা নম্বর ১৬ তারিখ ১২/০২/২০১২) নন্দরানী চা বাগানের পরিচালক শাহিরুল ইসলাম চৌধুরী বাদীয় হয়ে ১৪৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও গং আসামী দিয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। এর দুই দিন পর ১৪ ফেব্রুযারী হামলাকারীদের পক্ষে জনৈক মোশাাররফ হোসেন বাদী নন্দরানী চা বাগান মালিক পক্ষের বিরুদ্ধেও একটি কাউন্টার মামলা করেছিলেন(মামলা নম্বর ১৭ তারিখ ১৪/০২/২০১৩)।

এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের ছোট ভাই মোসাদ্দেক আহমদ ও সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান ঘটনাটিকে সত্য স্বীকার করে হামলাকারী কেউ আওয়ামীলীগ ও তার অংগ সংগঠনের নয় বলে দাবী করেছিলেন। থানায় মামলা ও কাউন্টার মালা হলে নন্দরানী চা বাগান মালিক পক্ষের লোকজন উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করলেও প্রকৃত হামলাকারী আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীরা কেউ জামিন লাভ না করলেও তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি হয়। গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মী বলে প্রায় দুই বছর ধরে এসব আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। সরকারী সকল অনুষ্ঠানে চিফ হুইপের সাথে যোগদান করে। সম্প্রতি কমলগঞ্জ থানা ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সকল আয়োজন পুলিশের সাথে কাদ মিলিয়ে এসব আসামীরা সম্পন্ন করে। এমনকি ২২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তালিকা ভুক্ত দুই আসামী মঞ্চে উঠে বক্তব্য প্রদান করে এ মামলাটি মিথ্যে ও হয়রানী মূলক দাবী করে তা প্রত্যাহারে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে। এর পর অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদ তার বক্তব্যে বলেন এ মামলায় তার মাথা হেট হয়ে গেছে। এ মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য তিনি স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৌলভীবাজার আদালতের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ আবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করে। সূত্রটি আরও জানায় মৌলভীবাজারের জিপি এডভোকেট এ এস এম আজাদ এ মামলা প্রত্যাহারে কোন সুপারিশ না করলেও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট ভূবনেশ্বর পুরকায়স্থ রাজনৈতিক বিবেচনায় এ মামলাটি প্রত্যাহেরর সুপারিশ করেছেন। আর মামলাটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ প্রভাব বিস্তার করছেন চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম শহীদ।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পিপি চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের ঘনিষ্টজন এডভোকেট ভূবনেশ্বর পুরকায়স্থ এ প্রতিনিধিকে বলেন অনেকগুলো মামলা প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে রোববার তালিকা না দেখে নন্দরানী চা বাগানের এ মামলাটির ব্যাপারে তিনি কোন তথ্য দিতে পারবেন না বলে জানান। তবে নন্দরানী চা বাগান হামলা ও হত্যা মামলার বাদী শাহিরুর ইসলাম চৌধুরী জানান, গত দেড় বছর ধরে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মামলাটি সঠিকভাবে এগুতে পারছে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় নন্দরানী চা বাগানের মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তিনিও পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার নন্দরানী চা বাগান দখলে চালানো হামলায় দুই ব্যক্তির মৃত্যূ, অগ্নি সংযোগ ও লুটপাটের মত ঘটনার বহুল আলোচিত এ মামলাটি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটিকে হয়রানী মূলক ও মিথ্যে দাবী করে তা প্রত্যাহারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে কমলগঞ্জে প্রকাশ্য জনসভায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে দাবী জানান। ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে কমলগঞ্জ থানার নবনির্মিত থানা ভবন উদ্বোধন শেষে এ হত্যা মামলার তালিকাভুক্ত দুই আসামীর বক্তব্যের পর চিফ হুইপ নিজে বক্তব্য দিয়ে মামলাটি প্রত্যাহারে দাবী জানান।

২০১২ সনের ১০ ফেব্রুয়ারী হামলাকারীরা চা বাগান বাংলোয় অগ্নি সংযোগ, লুটপাট, গুলি করে ও কূপিয়ে কাজী ফখরুল ইসলাম নামে চা বাগান কোম্পানীর এক কর্মকর্তা ও জাহিদ নামে আরও এক ব্যক্তিকে হত্যা করে। এ হামলায় কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ ছাড়াও প্রায় ৬ শতাধিক লোক সশস্ত্রভাবে অংশ গ্রহন করেছিল। পরদিন ১১ ফেব্রুয়ারী জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় এ সম্পর্কে সচিত্র প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়েছিল। ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩-তে মামলা নম্বর ১৬ তারিখ ১২/০২/২০১২) নন্দরানী চা বাগানের পরিচালক শাহিরুল ইসলাম চৌধুরী বাদীয় হয়ে ১৪৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরও গং আসামী দিয়ে কমলগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। এর দুই দিন পর ১৪ ফেব্রুযারী হামলাকারীদের পক্ষে জনৈক মোশাাররফ হোসেন বাদী নন্দরানী চা বাগান মালিক পক্ষের বিরুদ্ধেও একটি কাউন্টার মামলা করেছিলেন(মামলা নম্বর ১৭ তারিখ ১৪/০২/২০১৩)।

এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের ছোট ভাই মোসাদ্দেক আহমদ ও সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক রফিকুর রহমান ঘটনাটিকে সত্য স্বীকার করে হামলাকারী কেউ আওয়ামীলীগ ও তার অংগ সংগঠনের নয় বলে দাবী করেছিলেন। থানায় মামলা ও কাউন্টার মালা হলে নন্দরানী চা বাগান মালিক পক্ষের লোকজন উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করলেও প্রকৃত হামলাকারী আওয়ামীলীগ ও অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীরা কেউ জামিন লাভ না করলেও তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি হয়। গ্রেফতারী পরওয়ানা জারি হলেও ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মী বলে প্রায় দুই বছর ধরে এসব আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায়। সরকারী সকল অনুষ্ঠানে চিফ হুইপের সাথে যোগদান করে। সম্প্রতি কমলগঞ্জ থানা ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সকল আয়োজন পুলিশের সাথে কাদ মিলিয়ে এসব আসামীরা সম্পন্ন করে। এমনকি ২২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তালিকা ভুক্ত দুই আসামী মঞ্চে উঠে বক্তব্য প্রদান করে এ মামলাটি মিথ্যে ও হয়রানী মূলক দাবী করে তা প্রত্যাহারে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করে। এর পর অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদ তার বক্তব্যে বলেন এ মামলায় তার মাথা হেট হয়ে গেছে। এ মামলাটি প্রত্যাহার করার জন্য তিনি স্বারাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মৌলভীবাজার আদালতের নির্ভরযোগ্য সূত্র এ আবেদনের সত্যতা নিশ্চিত করে। সূত্রটি আরও জানায় মৌলভীবাজারের জিপি এডভোকেট এ এস এম আজাদ এ মামলা প্রত্যাহারে কোন সুপারিশ না করলেও অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট ভূবনেশ্বর পুরকায়স্থ রাজনৈতিক বিবেচনায় এ মামলাটি প্রত্যাহেরর সুপারিশ করেছেন। আর মামলাটি প্রত্যাহারের উদ্যোগ প্রভাব বিস্তার করছেন চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম শহীদ।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পিপি চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ এম এ শহীদের ঘনিষ্টজন এডভোকেট ভূবনেশ্বর পুরকায়স্থ এ প্রতিনিধিকে বলেন অনেকগুলো মামলা প্রত্যাহারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে রোববার তালিকা না দেখে নন্দরানী চা বাগানের এ মামলাটির ব্যাপারে তিনি কোন তথ্য দিতে পারবেন না বলে জানান। তবে নন্দরানী চা বাগান হামলা ও হত্যা মামলার বাদী শাহিরুর ইসলাম চৌধুরী জানান, গত দেড় বছর ধরে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মামলাটি সঠিকভাবে এগুতে পারছে না। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় নন্দরানী চা বাগানের মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তিনিও পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান। কমলগঞ্জ প্রতিনিধি॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •