৫ দিনে অপেক্ষার দুই বাংলাদেশীর লাশ ভারতে মাটি চাপা: ভারতে পিটুনিতে নিহত দুই বাংলাদেশীর লাশ ক্ষত বিক্ষত থাকায় সনাক্ত করতে পারলোনা স্বজনরা

December 17, 2013, এই সংবাদটি ১৬৪ বার পঠিত

কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্তে বিএসএফের মদদে ভারতীয়দের পিটুনিতে নিহত দু-কৃষকের লাশ সঠিক উদ্দ্যোগের অভাবে ৫দিনেও ফেরৎ পেলনা তাদের পরিবার। ১৫ ডিসেম্বর রোববার মাজিদ আলী ও নজর আলীর ক্ষত বিক্ষত ও গলিত লাশের ছবি বিজিবি দেখালে সনাক্ত করতে পারেনি স্বজনরা। নিহতদের পকেট থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনের সিম কার্ডের মাধ্যমে লাশ সনাক্ত করণে বিজিবির মাধ্যমে বিএসএফকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গত শুক্রবার সীমান্তরক্ষী বিজিবি ঘটনাটি গুজব বলে দাবী করলেও নিখোঁজ বাংলাদেশীর সন্ধান চেয়ে গত শনিবার সকালে সহযোগিতা কামনা করে বিএসএফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। এদিকে ৫দিন পরও নিহতদের পরিবার লাশ ফেরৎ না পাওয়ায় চলছে শোকের মাতম।
গত ১৪ ডিসেম্বর শনিবার তথ্যানুসন্ধানে সরেজমিন শরীফপুর সীমান্তের সঞ্জরপুর গ্রামের বেরীর পার এলাকার নিহত কৃষক মাজিদ ও নজর আলীর বৃদ্ধ বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, বিজিবি সুবেদার নিহতদের বাড়িতে এসে নাম ঠিকানা শনাক্ত করে নিশ্চিত করেন মাজেদ ও নজর আলী ভারতে অভ্যন্তরে নিহত হয়েছেন। এই সংবাদ কৃষক নিহত মাজিদ আলী বাবা ইয়াকুব মিয়া ও একই গ্রামের বিদেশ ফেরৎ ছেলে কৃষক নজর আলী বাবা আব্দুর রহিমের বাড়ি গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম চলছে। তারা আরো জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে মনু নদী অতিক্রম করে জিরো পয়েন্টে অর্থাৎ ভারতের সমরুর পার সীমান্ত এলাকায় গরু চরাতে যাওয়ার পর থেকে তারা নিখোঁজ হয়। সন্ধ্যায় গরুগুলো বাড়ি ফিরে এলেও কৃষক মাজিদ ও নজর ফিরে আসেনি। তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভারতের সমরুর পার গ্রামের তাদের আত্মীয় স্বজনরা জানিয়েছেন ভারতীয় লোকজন লাঠি পেটা ও দা দিয়ে কুপিয়ে বিএসএফ এর উপস্থিতে তাদেরকে গুরুতরভাবে আহত করলে কৈলাশহর হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে তারা মারা যায়। সঞ্জরপুর গ্রামের দিন মজুর আব্দুল খালিক জানান বিএসএফ ও গ্রামবাসী কর্র্তৃক বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে হত্যাকান্ডের বেশীর ভাগ লাশ বিএসএফ ফেরত দেয়নি। আর লাশ ফেরত চাইলে চোর সাম্ভস্থ করে লাশ ফেরত দেয় বিএসএফ।
শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ত্রিপুরার দু’টি পত্রিকা দৈনিক সংবাদ ও উত্তর ত্রিপুরায় “গণধোলাই-এ দুই বাংলাদেশী চোর নিহত” শিরোনামে নাম ঠিকানা সহ সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ দিকে দুই বাংলাদেশী নিহত সম্পর্কে শরীফপুর সীমান্তের বিজিবি ক্যাম্প ও শ্রীমঙ্গলস্থ ১৪ বিজিবি ব্যাটেলিয়নে যোগাযোগ করা হলে বিজিবির পক্ষে এ সংবাদটি সঠিক নয় দাবী করা হয়েছে। অবশেষে শনিবার সকাল ১১টায় চাতলাপুর চেকপোষ্ট এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠকে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশীর বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে বিজিরি পক্ষে নেতৃত্ব দেন চাতলাপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ আলী, শরীফপুর ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুল মালেক। অন্যদিকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের টিলাবাজার কোম্পানী কমান্ডার পি সি দীনেশ। উর্দ্ধতন বিজিবি কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া চাতলাপুর ও শরীফপুর বিজিবি ক্যাম্পের পক্ষে কোন কথা বলতে রাজি না হলেও নাম প্রকাশ না করে এক বিজিবি সদস্য জানান, বৈঠকে নিখোঁজ কৃষক মাজিদ আলী ও নজর আলীর সন্ধান দিতে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বিএসএফকে। এ সময় বিএসএফের পক্ষে বলা হয়েছে এ ধরনের কোন তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে তারা খতিয়ে দেখছে বলো জানান। রোববার সকালে বিজিবি-এসএফের পুনরায় বৈঠকে বসে সঞ্জরপুর গ্রামের নিহত মাজিদ আলীর পিতা ইয়াকুব আলী ও মাতা মর্তুজা বেগম কেঁদে জানান, সীমান্ত এলাকায় কৃষক মাজিদ বৃহস্পতিবার দূপুরে গরু চড়াতে গেলে ভারতীয়রা তাকে ধরে নিয়ে বিএসএফ এর উপস্থিতিতে ভারতীয় গ্রামবাসী পিঠিয়ে হত্যা করে। অপর দিকে একাই গ্রামের নিহত নজর আলীর ভাই মাওলানা নিজাম উদ্দিন ও স্ত্রী আলাতুন বেগম একই ভাবে বলেন সীমান্ত এলাকা থেকে গরু আনতে গেলে আর ফিরে আসেননি নজর আলী। পরদিন শুক্রবার বিকেলে বিজিবির সদস্যরা স্ত্রী আলাতুন বেগমকে জানায় তার স্বামী ভারতে মারা গেছে। দুই পরিবারের একটাই দাবী মাজিদ ও নজর আলীর লাশ ফিরিয়ে আনতে গড়িমসি করছে বিজিবি। শনিবার সন্ধ্যায় বিজিবির চিঠির প্রেক্ষিতে বিএসএফ ভারতে সীমান্ত এলাকায় চুরির অভিযোগে গনপিটুনিতে নিহত দুই জনের ছবি সরবরাহ করেছিল। লাশ দুটি ছবিতে ক্ষত বিক্ষত ও গলিত থাকায় সনাক্ত করতে পারেনি তাদের পরিবার। স্বজনরা লাশ সনাক্ত করতে পারলে রোববার দু’টি লাশই ফেরৎ দেবার কথা ছিল। শনিবার রাত ৮টায় চাতলাপুর বিজিবি ক্যাম্পে জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নিহতদের স্বজনদের ডেকে এনে বিএসএফ থেকে পাওয়া দু’টি অস্পষ্ট ক্ষত বিক্ষত ও গলিত ছবি দেখানো হলে স্বজনরা তা সনাক্ত করতে পারেনি। নিহত মাজিদ আলীর স্ত্রী সমিরুন বেগম ও নজর আরীর স্ত্রী আলাতুন বেগম রোববার জানান, ভারতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নিহতদের পকেট থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনের সিম কার্ড ও পড়নের কাপড় দেখে লাশ সনাক্ত করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও বিজিবি সদস্যদের অনুরোধ করেছেন।
উল্লেখ্য, শরীফপুর সীমান্তে ভারতীয়দের পিটুনিতে নিহত দুই বাংলাদেশী মাজিদ আলী ও নজর আলীর লাশ ত্রিপুরার পুলিশ মাটি চাপা দিয়েছে। বিএসএফ লাশের ছবি সরবরাহের পর সনাক্ত না হওয়ায় গতকাল ১৬ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় ভারতের কৈলাসহরে দুই বাংলাদেশীর লাশ মাটি চাপা দেয়। গত ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার শরীফপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে এই দুই বাংলাদেশী নিখোঁজ হয়েছিলেন। একটি সূত্র জানায় লাশ দুটি ৫ দিন ধরে কৈলাশহর হাসপাতালের মর্গে থাকায় লাশে পঁচন ধরায় ভারতীয়রা লাশ দুটি মাটি চাপা দেয়।
কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্তে বিএসএফের মদদে ভারতীয়দের পিটুনিতে নিহত দু-কৃষকের লাশ সঠিক উদ্দ্যোগের অভাবে ৫দিনেও ফেরৎ পেলনা তাদের পরিবার। ১৫ ডিসেম্বর রোববার মাজিদ আলী ও নজর আলীর ক্ষত বিক্ষত ও গলিত লাশের ছবি বিজিবি দেখালে সনাক্ত করতে পারেনি স্বজনরা। নিহতদের পকেট থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনের সিম কার্ডের মাধ্যমে লাশ সনাক্ত করণে বিজিবির মাধ্যমে বিএসএফকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গত শুক্রবার সীমান্তরক্ষী বিজিবি ঘটনাটি গুজব বলে দাবী করলেও নিখোঁজ বাংলাদেশীর সন্ধান চেয়ে গত শনিবার সকালে সহযোগিতা কামনা করে বিএসএফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে। এদিকে ৫দিন পরও নিহতদের পরিবার লাশ ফেরৎ না পাওয়ায় চলছে শোকের মাতম।
গত ১৪ ডিসেম্বর শনিবার তথ্যানুসন্ধানে সরেজমিন শরীফপুর সীমান্তের সঞ্জরপুর গ্রামের বেরীর পার এলাকার নিহত কৃষক মাজিদ ও নজর আলীর বৃদ্ধ বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা জানান, বিজিবি সুবেদার নিহতদের বাড়িতে এসে নাম ঠিকানা শনাক্ত করে নিশ্চিত করেন মাজেদ ও নজর আলী ভারতে অভ্যন্তরে নিহত হয়েছেন। এই সংবাদ কৃষক নিহত মাজিদ আলী বাবা ইয়াকুব মিয়া ও একই গ্রামের বিদেশ ফেরৎ ছেলে কৃষক নজর আলী বাবা আব্দুর রহিমের বাড়ি গিয়ে দেখা যায় শোকের মাতম চলছে। তারা আরো জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে মনু নদী অতিক্রম করে জিরো পয়েন্টে অর্থাৎ ভারতের সমরুর পার সীমান্ত এলাকায় গরু চরাতে যাওয়ার পর থেকে তারা নিখোঁজ হয়। সন্ধ্যায় গরুগুলো বাড়ি ফিরে এলেও কৃষক মাজিদ ও নজর ফিরে আসেনি। তাদের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে ভারতের সমরুর পার গ্রামের তাদের আত্মীয় স্বজনরা জানিয়েছেন ভারতীয় লোকজন লাঠি পেটা ও দা দিয়ে কুপিয়ে বিএসএফ এর উপস্থিতে তাদেরকে গুরুতরভাবে আহত করলে কৈলাশহর হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে তারা মারা যায়। সঞ্জরপুর গ্রামের দিন মজুর আব্দুল খালিক জানান বিএসএফ ও গ্রামবাসী কর্র্তৃক বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে হত্যাকান্ডের বেশীর ভাগ লাশ বিএসএফ ফেরত দেয়নি। আর লাশ ফেরত চাইলে চোর সাম্ভস্থ করে লাশ ফেরত দেয় বিএসএফ।
শনিবার ১৪ ডিসেম্বর ত্রিপুরার দু’টি পত্রিকা দৈনিক সংবাদ ও উত্তর ত্রিপুরায় “গণধোলাই-এ দুই বাংলাদেশী চোর নিহত” শিরোনামে নাম ঠিকানা সহ সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। এ দিকে দুই বাংলাদেশী নিহত সম্পর্কে শরীফপুর সীমান্তের বিজিবি ক্যাম্প ও শ্রীমঙ্গলস্থ ১৪ বিজিবি ব্যাটেলিয়নে যোগাযোগ করা হলে বিজিবির পক্ষে এ সংবাদটি সঠিক নয় দাবী করা হয়েছে। অবশেষে শনিবার সকাল ১১টায় চাতলাপুর চেকপোষ্ট এলাকায় বিজিবি ও বিএসএফের সাপ্তাহিক নিয়মিত বৈঠকে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশীর বিষয়টি উঠে আসে। বৈঠকে বিজিরি পক্ষে নেতৃত্ব দেন চাতলাপুর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার মোহাম্মদ আলী, শরীফপুর ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুল মালেক। অন্যদিকে বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের টিলাবাজার কোম্পানী কমান্ডার পি সি দীনেশ। উর্দ্ধতন বিজিবি কর্মকর্তাদের অনুমতি ছাড়া চাতলাপুর ও শরীফপুর বিজিবি ক্যাম্পের পক্ষে কোন কথা বলতে রাজি না হলেও নাম প্রকাশ না করে এক বিজিবি সদস্য জানান, বৈঠকে নিখোঁজ কৃষক মাজিদ আলী ও নজর আলীর সন্ধান দিতে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বিএসএফকে। এ সময় বিএসএফের পক্ষে বলা হয়েছে এ ধরনের কোন তথ্য তাদের কাছে নেই। তবে তারা খতিয়ে দেখছে বলো জানান। রোববার সকালে বিজিবি-এসএফের পুনরায় বৈঠকে বসে সঞ্জরপুর গ্রামের নিহত মাজিদ আলীর পিতা ইয়াকুব আলী ও মাতা মর্তুজা বেগম কেঁদে জানান, সীমান্ত এলাকায় কৃষক মাজিদ বৃহস্পতিবার দূপুরে গরু চড়াতে গেলে ভারতীয়রা তাকে ধরে নিয়ে বিএসএফ এর উপস্থিতিতে ভারতীয় গ্রামবাসী পিঠিয়ে হত্যা করে। অপর দিকে একাই গ্রামের নিহত নজর আলীর ভাই মাওলানা নিজাম উদ্দিন ও স্ত্রী আলাতুন বেগম একই ভাবে বলেন সীমান্ত এলাকা থেকে গরু আনতে গেলে আর ফিরে আসেননি নজর আলী। পরদিন শুক্রবার বিকেলে বিজিবির সদস্যরা স্ত্রী আলাতুন বেগমকে জানায় তার স্বামী ভারতে মারা গেছে। দুই পরিবারের একটাই দাবী মাজিদ ও নজর আলীর লাশ ফিরিয়ে আনতে গড়িমসি করছে বিজিবি। শনিবার সন্ধ্যায় বিজিবির চিঠির প্রেক্ষিতে বিএসএফ ভারতে সীমান্ত এলাকায় চুরির অভিযোগে গনপিটুনিতে নিহত দুই জনের ছবি সরবরাহ করেছিল। লাশ দুটি ছবিতে ক্ষত বিক্ষত ও গলিত থাকায় সনাক্ত করতে পারেনি তাদের পরিবার। স্বজনরা লাশ সনাক্ত করতে পারলে রোববার দু’টি লাশই ফেরৎ দেবার কথা ছিল। শনিবার রাত ৮টায় চাতলাপুর বিজিবি ক্যাম্পে জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে নিহতদের স্বজনদের ডেকে এনে বিএসএফ থেকে পাওয়া দু’টি অস্পষ্ট ক্ষত বিক্ষত ও গলিত ছবি দেখানো হলে স্বজনরা তা সনাক্ত করতে পারেনি। নিহত মাজিদ আলীর স্ত্রী সমিরুন বেগম ও নজর আরীর স্ত্রী আলাতুন বেগম রোববার জানান, ভারতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নিহতদের পকেট থেকে জব্দকৃত মোবাইল ফোনের সিম কার্ড ও পড়নের কাপড় দেখে লাশ সনাক্ত করার জন্য ইউপি চেয়ারম্যান ও বিজিবি সদস্যদের অনুরোধ করেছেন।
উল্লেখ্য, শরীফপুর সীমান্তে ভারতীয়দের পিটুনিতে নিহত দুই বাংলাদেশী মাজিদ আলী ও নজর আলীর লাশ ত্রিপুরার পুলিশ মাটি চাপা দিয়েছে। বিএসএফ লাশের ছবি সরবরাহের পর সনাক্ত না হওয়ায় গতকাল ১৬ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় ভারতের কৈলাসহরে দুই বাংলাদেশীর লাশ মাটি চাপা দেয়। গত ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার শরীফপুরের সীমান্ত এলাকা থেকে এই দুই বাংলাদেশী নিখোঁজ হয়েছিলেন। একটি সূত্র জানায় লাশ দুটি ৫ দিন ধরে কৈলাশহর হাসপাতালের মর্গে থাকায় লাশে পঁচন ধরায় ভারতীয়রা লাশ দুটি মাটি চাপা দেয়। স্টাফ রিপোর্টর॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •