কুলাউড়ায় দুই চা-বাগানে ২০ লক্ষাধিক টাকার নকল সার সরবরাহ

September 1, 2013, এই সংবাদটি ২৩১ বার পঠিত

কুলাউড়ায় এইচআরসির মালিকানাধীন চা-বাগানে ২০ লক্ষাধিক টাকার আসল সার গায়েব করে নকল সার সরবরাহ করেছে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। ঘটনার পর থেকে চক্রটি গা-ঢাকা দিয়েছে। এ নিয়ে বাগান কর্তৃপক্ষ ৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দিয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া উপজেলার জয়চ-ী ইউনিয়নে এইচআরসির মালিকানাধীন ক্লিভডন ও দিলদারপুর চা-বাগানে ১৩৫ টন এমওপি এবং টিএসপি সার সরবরাহের জন্য ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকার কেরিং কন্ট্রাক্টর মাসুক মিয়া (৩৫), আজমল মিয়া (৩৭) ও পলকের (৩২) সঙ্গে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী কন্ট্রাক্টররা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন সিলেটের সহকারী পরিচালকের (সার) কার্যালয়ের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে ২৭০০ বস্তা ১৩৫ টন সার নিয়ে পথিমধ্যে পুরো ২৭০০ বস্তা, অর্থাৎ ১০ ট্রাক আসল সার রেখে নকল সার এইচআরসিতে সরবরাহ করে কৌশলে চম্পট দেয়। এদিকে পরে সন্দেহ হলে বিষয়টি কন্ট্রাক্টরদের ফোনে জানানো হলে তারা জানায় সারগুলো আসল। বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের কথা অনুযায়ী চা-গাছে সার প্রয়োগ করতে শুরু করলে গাছগুলো কুকড়ে যায় এবং ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, সব সার নকল। বিষয়টি আবারও কন্ট্রাক্টরদের জানালে তারা নানা টালবাহানা দেখিয়ে গা-ঢাকা দেয়। এ ঘটনায় গত ১৫ আগস্ট ক্লিভডন চা-বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক আজগর আলী আকাশ বাদী হয়ে প্রতারকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
কুলাউড়ায় এইচআরসির মালিকানাধীন চা-বাগানে ২০ লক্ষাধিক টাকার আসল সার গায়েব করে নকল সার সরবরাহ করেছে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। ঘটনার পর থেকে চক্রটি গা-ঢাকা দিয়েছে। এ নিয়ে বাগান কর্তৃপক্ষ ৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দিয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া উপজেলার জয়চ-ী ইউনিয়নে এইচআরসির মালিকানাধীন ক্লিভডন ও দিলদারপুর চা-বাগানে ১৩৫ টন এমওপি এবং টিএসপি সার সরবরাহের জন্য ফেঞ্চুগঞ্জ এলাকার কেরিং কন্ট্রাক্টর মাসুক মিয়া (৩৫), আজমল মিয়া (৩৭) ও পলকের (৩২) সঙ্গে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী কন্ট্রাক্টররা বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন সিলেটের সহকারী পরিচালকের (সার) কার্যালয়ের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে ২৭০০ বস্তা ১৩৫ টন সার নিয়ে পথিমধ্যে পুরো ২৭০০ বস্তা, অর্থাৎ ১০ ট্রাক আসল সার রেখে নকল সার এইচআরসিতে সরবরাহ করে কৌশলে চম্পট দেয়। এদিকে পরে সন্দেহ হলে বিষয়টি কন্ট্রাক্টরদের ফোনে জানানো হলে তারা জানায় সারগুলো আসল। বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের কথা অনুযায়ী চা-গাছে সার প্রয়োগ করতে শুরু করলে গাছগুলো কুকড়ে যায় এবং ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায়, সব সার নকল। বিষয়টি আবারও কন্ট্রাক্টরদের জানালে তারা নানা টালবাহানা দেখিয়ে গা-ঢাকা দেয়। এ ঘটনায় গত ১৫ আগস্ট ক্লিভডন চা-বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক আজগর আলী আকাশ বাদী হয়ে প্রতারকদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এইচ ডি রুবেল॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •