নাসের রহমানের নেতৃত্বে ১৮ দলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

October 26, 2013, এই সংবাদটি ১৬৭ বার পঠিত

কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে মৌলভীবাজারে সমাবেশ করেছে ১৮দলীয় জোট। ২৫ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মৌলভীবাজার পৌরসভা শহীদ মিনারের সামনে এ সমাবেশ শুরু হয়। এতে ১৮দলের সব শরিক দল অংশ গ্রহণ করে। পরে বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসে জামায়াত ও ছাত্রশিবির। তাদের মিছিলে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবী সংবলিত ব্যনার ফেষ্টুন শোভা পাচ্ছিল। এরপর এক এক করে আসতে থাকে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দল, খেলাফত মজলিশ, জমিয়ত ও অন্যান্য অংগ সংগঠন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান, প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন “দেশের ৯০ভাগ মানুষ যেখানে তত্বাবধায়ক সরকার চায় সেখানে শেখ হাসিনা গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে চান। শেখ হাসিনা দাদাদের ওপর ভরসা করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ক্ষমতায় থাকতে চান। এটা সংবিধানের সুস্পষ্ট লংঘন। দেশের জনগণ এরকম অসাংবিধানিক আদেশ মেনে নেবেনা। অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন না হলে দেশের জনগণ বসে থাকবেনা।” সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা আমীর আব্দুল মান্নান, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আলী, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াত সেক্রেটারী এম শাহেদ আলী, মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী আহ্বায়ক সদর থানা বিএনপি,মোঃ ফখরুল ইসলাম যুগ্ন আহ্বায়ক সদর থানা বিএনপি, ইয়ামীর আলী পৌর আমীর মৌলভীবাজার জামায়াত, আলাউদ্দিন শাহ জামায়াত সদর উপজেলা আমীর, হাফেজ তাজুল ইসলাম ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার শহর সভাপতি, দেলোওয়ার হোসেন ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন “সরকার অন্যায়ভাবে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। বিশ্ব বরেণ্য আলেম মাওলানা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী সহ জামায়াত ও শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করে তারা আন্দোলনকে দমিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী হতে চায়। কিন্তু তাদের এই দিবাস্বপ্ন দেশের মানুষ কোনদিনও পূরন হতে দেবেনা।” সমাবেশ শেষে ১৮ দলের নেতৃবৃন্দ প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে মিছিল সহকারে মৌলভীবাজার শহর প্রদক্ষিণ করেন।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্বাবধায়ক সরকারের দাবীতে মৌলভীবাজারে সমাবেশ করেছে ১৮দলীয় জোট। ২৫ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মৌলভীবাজার পৌরসভা শহীদ মিনারের সামনে এ সমাবেশ শুরু হয়। এতে ১৮দলের সব শরিক দল অংশ গ্রহণ করে। পরে বিশাল মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসে জামায়াত ও ছাত্রশিবির। তাদের মিছিলে কেন্দ্রীয় নেতাদের মুক্তির দাবী সংবলিত ব্যনার ফেষ্টুন শোভা পাচ্ছিল। এরপর এক এক করে আসতে থাকে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, শ্রমিক দল, খেলাফত মজলিশ, জমিয়ত ও অন্যান্য অংগ সংগঠন। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এম নাসের রহমান, প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন “দেশের ৯০ভাগ মানুষ যেখানে তত্বাবধায়ক সরকার চায় সেখানে শেখ হাসিনা গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে চান। শেখ হাসিনা দাদাদের ওপর ভরসা করে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ক্ষমতায় থাকতে চান। এটা সংবিধানের সুস্পষ্ট লংঘন। দেশের জনগণ এরকম অসাংবিধানিক আদেশ মেনে নেবেনা। অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন না হলে দেশের জনগণ বসে থাকবেনা।” সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা আমীর আব্দুল মান্নান, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ইউসুফ আলী, মৌলভীবাজার জেলা জামায়াত সেক্রেটারী এম শাহেদ আলী, মৌলভী আব্দুল ওয়ালী সিদ্দিকী আহ্বায়ক সদর থানা বিএনপি,মোঃ ফখরুল ইসলাম যুগ্ন আহ্বায়ক সদর থানা বিএনপি, ইয়ামীর আলী পৌর আমীর মৌলভীবাজার জামায়াত, আলাউদ্দিন শাহ জামায়াত সদর উপজেলা আমীর, হাফেজ তাজুল ইসলাম ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার শহর সভাপতি, দেলোওয়ার হোসেন ছাত্রশিবির মৌলভীবাজার জেলা সভাপতি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন “সরকার অন্যায়ভাবে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে গ্রেফতার করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। বিশ্ব বরেণ্য আলেম মাওলানা দেলওয়ার হোসেন সাঈদী সহ জামায়াত ও শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করে তারা আন্দোলনকে দমিয়ে দিয়ে ক্ষমতায় চিরস্থায়ী হতে চায়। কিন্তু তাদের এই দিবাস্বপ্ন দেশের মানুষ কোনদিনও পূরন হতে দেবেনা।” সমাবেশ শেষে ১৮ দলের নেতৃবৃন্দ প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে মিছিল সহকারে মৌলভীবাজার শহর প্রদক্ষিণ করেন। স্টাফ রিপোর্টার॥

সংবাদটি শেয়ার করতে নিচের “আপনার প্রিয় শেয়ার বাটনটিতে ক্লিক করুন”
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •