
জুড়ী প্রতিনিধি॥ দেশের বন্যাকবলিত এলাকায় সব ধরনের ব্যাংক ও এনজিও কর্তৃক প্রদত্ত ঋণের কিস্তি আদায় বন্ধ রাখার জন্য সরকার বারবার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন।কিন্তু মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বন্যা কবলিত এলাকায় বিভিন্ন এনজিও কিস্তি আদায় বন্ধ করেনি। প্রতি সপ্তাহেই কিস্তির জন্য বানভাসী মানুষের বাড়িবাড়ি যাচ্ছেন এনজিও কর্মকর্মতারা। এমনিতেই অকাল বন্যায় বোরো ফসল ও সবজি খেত পানিয়ে তলিয়ে গেছে। তার উপর প্রায় চার মাস থেকে লোকজন পানি বন্দি রয়েছেন। এমতাব¯’ায় পেটের খাবার যোগাড় করতে যেখানে লোকজন হিমসিম খাছেন সেখানে ঋণের কিস্তির জন্য কর্মকর্তাদের হুমকি ধমকিতে ঋণ গ্রহীতারা দুঃশ্চিন্তায় ভোগছেন। উপজেলার বেলাগাঁও গ্রামের রোকসানা বেগম অভিযোগ করে বলেন, এ সপ্তাহে মোরগের ডিম বিক্রি করে আশার কিস্তি দিতে বাধ্য হয়েছি। একই গ্রামের পারুল বেগম, সাহিদা বেগম, রুপবান বেগম, আলেখা বেগম, লাইলী বেগম, বানেছা বেগম অভিযোগ করেন, আশা ও সিএনআরএস প্রতি সপ্তাহে কিস্তির জন্য এসে চাপ দেয়।এ বিষয়ে বেসরকারী ক্ষুদ্র ঋণ দানসং¯’া সি এন আর এস জুড়ী শাখার ব্যব¯’াপক জাহিদুল ইসলাম ১২ জুলাই বুধবার দুপুরে বলেন, সরকার কিস্তি আদায় নিষেধ করেছে সেটা আমরা জানিনা বা আমরা কোন সার্কুলার পাইনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বর্ণালী পাল বলেন, চাপ প্রয়োগ করে কিস্তি আদায় করা যাবে না। এ রকম অভিযোগ পেলে বিহিত ব্যব¯’া নেয়া হবে।
সৈয়দা রাবেয়া ম্যানশন, সিলেট সড়ক, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। ইমেইল : umedntv@gmail.com
Copyright © 2026 পাতাকুঁডির দেশ. All rights reserved.